ঈদের কেনাকাটায় গুরুদাসপুরের হাটবাজারে মানুষের ঢল

বনলতা নিউজ ডেস্ক.বনলতা নিউজ ডেস্ক.
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:৪০ AM, ১৬ মে ২০২০

গুরুদাসপুর (নাটোর)প্রতিনিধি.
করোনার মধ্যেও নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বন্দর নগরী চাঁকৈড় হাটে ঈদকে কেন্দ্র করে কেনাকাটায় ধুম পড়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলেও সরকারি নির্দেশনা কিছুটা শিথিল করায় দোকানপাটগুলো খোলা হয়েছে। যেকারনে গুরুদাসপুর পৌর সদরসহ হাটবাজারগুলোতে মানুষের ঢল নেমেছে।
সপ্তাহে দুই দিন শনি এবং মঙ্গলবার দোকানগুলোতে ভিড় করে পোশাকসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার ধুম পড়েছে। হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে প্রবেশের সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করলেও বেশিরভাগ দোকানে স্বাস্থ্য বিধি না মেনেই চলছে বেচাকেনা। আর পুলিশ প্রশাসনের লোক দেখলেই তরিঘরি করে হাতে গ্লোভস এবং মুখে মাস্ক পরে নিচ্ছেন।
শনিবার সকালে গুরুদাসপুরের চাঁচকৈড় হাটের বিভিন্ন মার্কেটে গিয়ে দেখাযায় সামাজিক দূরত্ব না মেনেই সাধারণ মানুষকে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে। এতে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা করছেন না ক্রেতা ও ব্যাবসায়ীরা। এছাড়া পৌর শহর ও গ্রামের বাজারের রাস্তাগুলোতে শত শত অটোরিক্সা থাকায় বিভিন্ন রাস্তার মোড় ও এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভিড়ের কারণে অনেক সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানাযায় , ঝুঁকি জেনেও ঈদের কেনাকাটা করার জন্য তারা বের হয়েছেন। অপরদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বেচাকেনা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু ক্রেতারা তা মানতে চাইছেন না। অপরদিকে দুরদুরান্ত থেকে কৃষকরা তাদের কৃষিপণ্য বিভিন্ন ট্রলি,অটোভ্যান বিভিন্ন কৃষিপণ্য নিয়ে আসায় অবৈধ্য ভাবে রাস্তার মধ্যে হকারসহ খুচড়া দোকানীরা বসাতে জ্যাম জটের সৃষ্টি আরো প্রকট আকার ধারন করে।
উল্লেখ্য, গুরুদাসপুর উপজেলায় এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দুইজন। আক্রান্ত দুইজনই ঢাকা থেকে আসা।#

আপনার মতামত লিখুন :