বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গুরুদাসপুরে আ.লীগের ৮০জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামালা প্রতিবাদে মানব বন্ধন!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০
  • ৯৭ Time View

বিশেষ প্রতিবেদক দৈনিক বনলতা.
নাটোরের গুরুদাসপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংর্ষষের ঘটনায় ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনকে প্রধান আসামি করে ২৫ জনের নাম উল্লেখ্য পূবর্ক আরো অজ্ঞাত ৫৫ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে ক্ষতিগ্রস্ত যুবলীগের সহ সভাপতি বজলুর সরদারের পিতা ইসমাইল হোসেন সরদার বাদী হয়ে মোট ৮০জনকে অভিযুক্ত করে এই মামলা দায়ের করেন।
তারই প্রতিবাদে আজ ৩০মে শনিবার বেলা ১১টার সময় ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ওই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানব বন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারি ত্রাণ বিতরণ নিয়ে বেশ কয়েকদিন আগে একই ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি বজলু সরদার তার ইচ্ছে মত ত্রান না দেওয়ায় ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনকে ফেসবুকে কটূক্তি করেন। এবিষয়ে চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন প্রতিবাদ করলে তাকে  অপমান করাসহ তার নেতাকর্মীদের মারপিট করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সূত্রে জানা যায়, যুবলীগের সহসভাপতি বজলু সরদারসহ তারপরিবার পর্বে আওয়ামী অনুসারী হলেও গত বিনএনপির সময়ে ফুলেল শুভেচ্ছা নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। এছাড়া তার বংশের অধিকাংশ লোকই বিএনপি ঘরোনার বলে তারা জানান।
মানব বন্ধনে ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, ফজলু সরদার তার সমর্থকদের নিয়ে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতার সহযোগিতায় পুকুর খনন, জুয়া,অবৈধ শালিসসহ এমন কোন আপকর্মনেই যে তারা করে না। এছাড়া মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ত্রান বিতরণ নিয়েও ফেসবুকে কটূক্তি করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।  সেই সাথে তার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ইউনিয়নের (৭ নম্বর ওয়ার্ড) ঝাউপাড়া-বিন্যাবাড়ি বাজারে ত্রাণ বিতরণ নিয়ে চেয়ারম্যান ও বজলুর মধ্যে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও তার গাড়িচালক মতিনের ওপর হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন বজলু ও তার সমর্থকরা।
এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে বেলা ১২টার দিকে চেয়ারম্যানের কর্মী-সমর্থকরা বজলুর বাড়িতে হামলা চালায়। এতে বজলুর বাড়ির টিনের চালা ও দরজা ভেঙে যায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে।
এ সময় চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও তার গাড়িচালক মতিনসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে থানায় আনা হয়। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- ৫ নম্বর ধারাবারিষা ইউনিনের প্যানেল চেয়ারম্যান এম এ, মনসুর  ইউপি সদস্য মো. হাফিজুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম বকুল, মোঃ কামরুল ইসলামসহ চেয়ারম্যান সমর্থকরা #

Tag :
Popular Post

গুরুদাসপুরে আ.লীগের ৮০জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামালা প্রতিবাদে মানব বন্ধন!

Update Time : ০৮:৩৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০

বিশেষ প্রতিবেদক দৈনিক বনলতা.
নাটোরের গুরুদাসপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংর্ষষের ঘটনায় ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনকে প্রধান আসামি করে ২৫ জনের নাম উল্লেখ্য পূবর্ক আরো অজ্ঞাত ৫৫ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে ক্ষতিগ্রস্ত যুবলীগের সহ সভাপতি বজলুর সরদারের পিতা ইসমাইল হোসেন সরদার বাদী হয়ে মোট ৮০জনকে অভিযুক্ত করে এই মামলা দায়ের করেন।
তারই প্রতিবাদে আজ ৩০মে শনিবার বেলা ১১টার সময় ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ওই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানব বন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারি ত্রাণ বিতরণ নিয়ে বেশ কয়েকদিন আগে একই ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি বজলু সরদার তার ইচ্ছে মত ত্রান না দেওয়ায় ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনকে ফেসবুকে কটূক্তি করেন। এবিষয়ে চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন প্রতিবাদ করলে তাকে  অপমান করাসহ তার নেতাকর্মীদের মারপিট করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সূত্রে জানা যায়, যুবলীগের সহসভাপতি বজলু সরদারসহ তারপরিবার পর্বে আওয়ামী অনুসারী হলেও গত বিনএনপির সময়ে ফুলেল শুভেচ্ছা নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। এছাড়া তার বংশের অধিকাংশ লোকই বিএনপি ঘরোনার বলে তারা জানান।
মানব বন্ধনে ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, ফজলু সরদার তার সমর্থকদের নিয়ে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতার সহযোগিতায় পুকুর খনন, জুয়া,অবৈধ শালিসসহ এমন কোন আপকর্মনেই যে তারা করে না। এছাড়া মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ত্রান বিতরণ নিয়েও ফেসবুকে কটূক্তি করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।  সেই সাথে তার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ইউনিয়নের (৭ নম্বর ওয়ার্ড) ঝাউপাড়া-বিন্যাবাড়ি বাজারে ত্রাণ বিতরণ নিয়ে চেয়ারম্যান ও বজলুর মধ্যে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও তার গাড়িচালক মতিনের ওপর হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন বজলু ও তার সমর্থকরা।
এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে বেলা ১২টার দিকে চেয়ারম্যানের কর্মী-সমর্থকরা বজলুর বাড়িতে হামলা চালায়। এতে বজলুর বাড়ির টিনের চালা ও দরজা ভেঙে যায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে।
এ সময় চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও তার গাড়িচালক মতিনসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে থানায় আনা হয়। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- ৫ নম্বর ধারাবারিষা ইউনিনের প্যানেল চেয়ারম্যান এম এ, মনসুর  ইউপি সদস্য মো. হাফিজুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম বকুল, মোঃ কামরুল ইসলামসহ চেয়ারম্যান সমর্থকরা #