শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গুরুদাসপুরে মাস্ক পরা বাধ্যতামুলক করা হচ্ছে-ইউএনও তমাল হোসেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৩৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২০
  • ৪০ Time View

বনলতা নিউজ ডেস্ক.
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গুরুদাসপুর সদরসহ প্রতিটি ইউনিয়নে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হচ্ছে। গতকাল বুধবার গুরুদাসপুর পৌর সদর থেকে ওই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায় না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.তমাল হোসেনের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া লকডাউন শিথিলের ঘোষণার সময়ই মাস্ক পরার বিষয়ে সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন ইউএনও তমাল হোসেন।
নতুন নির্দেশনা অনুসারে গুরুদাসপরে,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, হাট বাজার, সকল ধরনের দোকান পার্ট, গণপরিবহনসহ সর্বত্র মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
ইউএনও তমাল হোসেন জানান, জনগনের স্বার্থে সরকারী বিধি মোতাবেক এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। কেউ এই আদেশ অমান্য করলে বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ কাজে সহযোগিতার জন্য সার্বক্ষণিক একজন নির্বাহী ম্যাজিট্রেট, গুরুদাসপুর থানা পুলিশ,আনসার ভিডিপির সদস্যসহ গ্রাম পুলিশ দায়িত্বরত থাকবে।
গুরুদাসপুর উপজেলা হাসপাতালের আরএমও মো. রবিউল করিম শান্ত নিশ্চিত করে জানান, গুরুদাসপুরে এ যাবৎ করোনাক্রানÍর সংখ্য ১৬ জন। তবে এ পর্যন্ত কেউ মারা জাননি। কিন্ত সংক্রামনের গতির কথা বিবেচনা করে সামাজিক দুরত্বসহ সকল প্রকার সচেতনতামুলক কার্যক্রম নিজেদের স্বার্থেই সবারই মেনে চলা উচিত।

Tag :
Popular Post

গুরুদাসপুরে মাস্ক পরা বাধ্যতামুলক করা হচ্ছে-ইউএনও তমাল হোসেন

Update Time : ০৭:৩৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২০

বনলতা নিউজ ডেস্ক.
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গুরুদাসপুর সদরসহ প্রতিটি ইউনিয়নে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হচ্ছে। গতকাল বুধবার গুরুদাসপুর পৌর সদর থেকে ওই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায় না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.তমাল হোসেনের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া লকডাউন শিথিলের ঘোষণার সময়ই মাস্ক পরার বিষয়ে সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন ইউএনও তমাল হোসেন।
নতুন নির্দেশনা অনুসারে গুরুদাসপরে,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, হাট বাজার, সকল ধরনের দোকান পার্ট, গণপরিবহনসহ সর্বত্র মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
ইউএনও তমাল হোসেন জানান, জনগনের স্বার্থে সরকারী বিধি মোতাবেক এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। কেউ এই আদেশ অমান্য করলে বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ কাজে সহযোগিতার জন্য সার্বক্ষণিক একজন নির্বাহী ম্যাজিট্রেট, গুরুদাসপুর থানা পুলিশ,আনসার ভিডিপির সদস্যসহ গ্রাম পুলিশ দায়িত্বরত থাকবে।
গুরুদাসপুর উপজেলা হাসপাতালের আরএমও মো. রবিউল করিম শান্ত নিশ্চিত করে জানান, গুরুদাসপুরে এ যাবৎ করোনাক্রানÍর সংখ্য ১৬ জন। তবে এ পর্যন্ত কেউ মারা জাননি। কিন্ত সংক্রামনের গতির কথা বিবেচনা করে সামাজিক দুরত্বসহ সকল প্রকার সচেতনতামুলক কার্যক্রম নিজেদের স্বার্থেই সবারই মেনে চলা উচিত।