বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নাটোরের মাছ চাষীরা মাছ নিয়ে বিপাকে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২০
  • ৪৯ Time View

মো,মাজেম আলী মলিন গুরুদাসপু নাটোর থেকে-
নাটোরের গুরুদাসপুরের মাছ চাষিরা কুরবাণীর ঈদ এবং করোনার কারনে মাছ নিয়ে বিপাকে পরেছেন। কেজি প্রতি মাছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা ক্ষতি গুনতে হচ্ছে তাদের।
খোজ নিয়ে জানাযায়,উপজেলার নয়াবাজার এলাকায় শতাধিক পুকুর রয়েছে। একেকটা পুকুর ১৫ থেকে ২৫ বিঘা পর্যন্ত জলকর রয়েছে।
কথা হয় মাইলস্টন এগ্রো ফিসারিজের কয়েকজন স্বত্বাধিকারী মো,রবিউল করিম, তুহিন ও আলতাব হোসেনের সাথে। তারা জানান,ওই এলাকায় আমাদের ১০টি পুকুর লীজ নেওয়া আছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ টন মাছ রয়েছে। প্রতি বছর ঢাকা থেকে বেপারী এসে মাছ কিনে নিয়ে যায়। প্রতি কেজি মাছ গতবারও বিক্রি হয়েছে ৩শত টাকা দরে এবার করোনা ও কুরবাণীর ঈদের কারনে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা দরে বিক্রি করছি। তবুও বেপারী ঠিকমত পাচ্ছিনা।
তারা জানান,প্রতিটা মাছ আকার ভেদে কাতলা ৩ থেকে ৮ কেজি রুই ২ থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত হয়েছে। এসব মাছে এক থেকে দের বছর পর্যন্ত যে টাকা খরচা হচ্ছে সে তুলনায় দাম অনেক কম পাচ্ছি। জানি না কি ভাবে এই দেনার বেড়াজাল থেকে উদ্ধার পাব। ইতিমধ্যে অনেক টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পরেছি।
নাটোরের মৎস্য কর্মকর্তা মো,জাহাংগীর আলম মোবাইল ফোনে জানান,বৈশিক সমস্যা করোনায় মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে তাছাড়া কুরবাণীর ঈদও সন্ন্যিকটে একারনেই মাছের দাম কিছুটা কম হবে এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া মৎস্য চাষিদের উদ্দ্যেশে বলবো মাছের আকার বেশী বড় করলে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। যার জন্য এক ধরনের মাছ চাষ না করে বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষ করতে হবে সেই সাথে প্রাকৃতিক খাবারের প্রতি জোর বেশী দিতে হবে। তাহলে ক্ষতির সম্ভাবনা কমে আসবে।

Tag :

নাটোরের মাছ চাষীরা মাছ নিয়ে বিপাকে

Update Time : ০৯:২৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২০

মো,মাজেম আলী মলিন গুরুদাসপু নাটোর থেকে-
নাটোরের গুরুদাসপুরের মাছ চাষিরা কুরবাণীর ঈদ এবং করোনার কারনে মাছ নিয়ে বিপাকে পরেছেন। কেজি প্রতি মাছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা ক্ষতি গুনতে হচ্ছে তাদের।
খোজ নিয়ে জানাযায়,উপজেলার নয়াবাজার এলাকায় শতাধিক পুকুর রয়েছে। একেকটা পুকুর ১৫ থেকে ২৫ বিঘা পর্যন্ত জলকর রয়েছে।
কথা হয় মাইলস্টন এগ্রো ফিসারিজের কয়েকজন স্বত্বাধিকারী মো,রবিউল করিম, তুহিন ও আলতাব হোসেনের সাথে। তারা জানান,ওই এলাকায় আমাদের ১০টি পুকুর লীজ নেওয়া আছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ টন মাছ রয়েছে। প্রতি বছর ঢাকা থেকে বেপারী এসে মাছ কিনে নিয়ে যায়। প্রতি কেজি মাছ গতবারও বিক্রি হয়েছে ৩শত টাকা দরে এবার করোনা ও কুরবাণীর ঈদের কারনে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা দরে বিক্রি করছি। তবুও বেপারী ঠিকমত পাচ্ছিনা।
তারা জানান,প্রতিটা মাছ আকার ভেদে কাতলা ৩ থেকে ৮ কেজি রুই ২ থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত হয়েছে। এসব মাছে এক থেকে দের বছর পর্যন্ত যে টাকা খরচা হচ্ছে সে তুলনায় দাম অনেক কম পাচ্ছি। জানি না কি ভাবে এই দেনার বেড়াজাল থেকে উদ্ধার পাব। ইতিমধ্যে অনেক টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পরেছি।
নাটোরের মৎস্য কর্মকর্তা মো,জাহাংগীর আলম মোবাইল ফোনে জানান,বৈশিক সমস্যা করোনায় মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে তাছাড়া কুরবাণীর ঈদও সন্ন্যিকটে একারনেই মাছের দাম কিছুটা কম হবে এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া মৎস্য চাষিদের উদ্দ্যেশে বলবো মাছের আকার বেশী বড় করলে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। যার জন্য এক ধরনের মাছ চাষ না করে বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষ করতে হবে সেই সাথে প্রাকৃতিক খাবারের প্রতি জোর বেশী দিতে হবে। তাহলে ক্ষতির সম্ভাবনা কমে আসবে।