অসহায় বিধবার-পাশে দাড়াঁলেন গুরুদাসপুর থানার মানবিক ওসি

বনলতা নিউজ ডেস্ক.বনলতা নিউজ ডেস্ক.
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:২৪ PM, ১৯ জুলাই ২০২০

বিশেষ প্রতিবেদক গুরুদাসপুর.
সকেরা বেগম(৫৫)। নিজের একটি সমস্যা নিয়ে ৫ কি.মি পথ হেঁটে এসেছিলেন গুরুদাসপুর থানায়। স্বামী মারা গেছেন অনেক দিন আগে। দুই ছেলে নিয়ে তার সংসার। এক ছেলে ভ্যান চালক আরেক ছেলে চা বিক্রেতা। ছেলেরা সুদের ওপর টাকা নিয়ে না দিতে পেরে এলাকা ছাড়া। বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের মামুদপুর গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর স্ত্রী।

থানা সূত্রে জানাযায়, গুরুদাসপুর থানা থেকে ওই মহিলার বাড়ির দুরুত্ব প্রায় ৫ কি.মি। স্বামী মারা যাওয়ার পরে অসহায় হয়ে পরে সকেরা বেগম। সংসারে ছিলো দুই ছেলে। কিন্তু সুদের ওপর টাকা নিয়ে না দিতে পেরে এলাকা ছাড়া তার ছেলে। পাওনা টাকার জন্য বাড়িতে এসে ওই মহিলাকে চাপ সৃষ্টি করছিলেন পাওনাদার। তার ওই সমস্যা সমাধানের জন্যই তিনি বাড়ি থেকে হেঁটে থানায় আসেন। ছেলেদের ঋণ করা টাকার চাপ তাকে এসে দেয়। এ নিয়ে হতাশা গ্রস্থ হয়ে পরে সকেরা বেগম। পরে রোববার বিকেলে থানায় এসে বিষয়টি জানান তিনি।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ মোজাহারুল ইসলাম জানান, সকেরা বেগমের ছেলেরা ঋণ করে বাড়ি থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তার দায়ভার সে নিতে পারে না। এমনিতেই অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোন মতে তার সংসার চলে। এক দিন কাজ না করলে না খেয়ে থাকতে হয় তাকে। তার কাছে ভ্যান ভাড়া ১০ টাকা না থাকার কারনে ৫ কি.মি পথ হেঁটে থানায় এসেছিলেন। সকেরা বেগম তার সার্বিক সমস্যার কথা আমাকে বললে আমি তৎখনাত এ,এস,আই হান্নানকে পাঠাই এবং সকেরা বেগমের বাড়িতে খাবার না থাকায় তার জন্য চাল, ডাল, আলু দিয়ে তাকে ওই এ এস আই এর সাথে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। ওই অসহায় মহিলার সার্বিক সমস্যা সমাধান করে এ এস আই হান্নান কে দিয়ে নিরাপদে বাড়িতে তুলে দেওয়াও হয়েছে। নাটোর পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা‘র দিক নির্দেশনায় মানবিক কাজে সব সময় প্রস্তুত রয়েছে গুরুদাসপুর থানা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন :