গুরুদাসপুরে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী

বনলতা নিউজ ডেস্ক.বনলতা নিউজ ডেস্ক.
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:১২ AM, ২০ জুলাই ২০২০

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি. 
নাটোরের গুরুদাসপুরে ড্রেজার মেশিন দিয়ে নন্দকূজা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এতে নদী ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে নদীর পাশে ভিটেমাটি বিলীনের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। পাশেই অবস্থিত নাজিরপুর সেতুটি হুমকির মুখে পড়েছে। মামুদপুর ডিপপাড়ের খাঁজা আলী এবং কুমারখালির আব্দুর রহিম ওই বালু উত্তোলন করছেন।
নাজিরপুর এলাকায় দুইটি স্থানে মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হলেও যেন দেখার কেউ নেই। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে বালু উত্তোলন করা হলেও বন্ধের কোনও উদ্যোগ নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। নদী হতে বালু উত্তোলন বন্ধে ব্যাপারে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার নন্দকূজা নদীর নাজিরপুর পয়েন্টের আব্দুস সালাম হাজীর মিলের পাশে নদীতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে রাতদিন বালু তোলা হচ্ছে। বালু উত্তোলনের পর পাইব দিয়ে রাস্তা উঁচু করে বিভিন্ন জায়গা তা বিক্রি করছেন। এতে করে বিভিন্ন সময়ে যানবাহন চালকরা দূর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছেন। বালু উত্তোলনের ফলে এলাকার বেশ কিছু বসতভিটে নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী সেতু, কালভার্ট, সড়ক, মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ন স্থাপনার পাশে ড্রেজার মেশিন বা অন্যান্য যন্ত্র দিয়ে বালু উত্তোলন করা যাবে না। অথচ গুরুদাসপুরের নাজিরপুর পয়েন্টের সড়কের প্রায় ২’শ গজ পশ্চিমে নন্দকূজা নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু তুলে বিক্রি করা হচ্ছে। এবিষয়ে খাঁজা আলী বলেন, সবাইকে ম্যানেজ করেই বালু তোলা হচ্ছে। ওই এলাকার কয়েকজন বলেন, বালু দস্যুরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তাদের বাধা দেয়ার সাহস করে না। এরা ড্রেজার মেশিন বসিয়ে নদীর গভীর থেকে বালু উত্তোলন করেই চলেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তমাল হোসেন বলেন, ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলনের নিয়ম নেই। দ্রæত সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :