উত্তরাঞ্চলে বাড়ছে শীত কুয়াশার দাপট

বনলতা নিউজ ডেস্ক.বনলতা নিউজ ডেস্ক.
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:৪২ AM, ১১ ডিসেম্বর ২০২০

আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চলে দিন দিন বেড়েই চলেছে শীত। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কুয়াশা। হিমালয় থেকে বয়ে আসা শৈত্যপ্রবাহের কারণে দিনের বেলায়ও তাপমাত্রা অনেকটা কমে এসেছে। এতে করে শিশুসহ বয়স্করা সর্দি, জ্বরসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

আমাদের চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি জানান, অগ্রহায়ণের শেষ সপ্তাহে এসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমেছে। বেড়েছে কুয়াশার দাপট। পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অধ্যুষিত জনপদে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে পুরো প্রকৃতি। সন্ধ্যার পর থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে চারদিক। দুপুর অবধি কুয়াশায় ঢাকা থাকছে জনপদ। গত দুই দিন এ অঞ্চলে সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। উত্তরের ঠান্ডা বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীতের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। বিল এলাকার দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ কষ্টে পড়েছে। পুরাতন শীতবস্ত্রের দোকানে ভিড় বেড়েছে। এদিকে বোরো বীজতলা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক। কুয়াশা থেকে বীজতলা বাঁচাতে চেষ্টা করছেন চাষিরা।

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি জানান, কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে রংপুরের গঙ্গাচড়া। গতকাল বৃহস্পতিবার সারা দিন সূর্যের দেখা মেলেনি। সকাল থেকে কুয়াশায় ঢাকা থাকে চারদিকে। রাস্তায় লোকজন গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছেন। প্রায় ২০ গজের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল দৃষ্টি। কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়া কাহিল করে ফেলেছে গঙ্গাচড়ার মানুষ ও গবাদি পশুকে। হাড় কাঁপানো ঠান্ডা, হিমেল হাওয়া ও অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহে তিস্তার চরাঞ্চল ও তিস্তা তীরবর্তী গ্রামসহ উপজেলার সর্বত্র জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষের চরম দুর্ভোগে দেখা দিয়েছে। লোকজন জবুথবু হয়ে পড়েছে। শীতের কারণে স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া শীতার্ত মানুষ বাড়ির বাইরে বের হচ্ছে না। লোকজন খড়কুটো জ্বালিয়ে রাতে ও দিনে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবও বেড়েছে। মানুষের পাশাপাশি শীতের কবলে পড়েছে গবাদি পশুও। চালকল বন্ধ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :