টালিউডে জয়া-মিথিলাদের উত্তাপে চাপ বাড়ল নুসরাত-মিমিদের

মোঃ মাজেম আলীমোঃ মাজেম আলী
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:৫৫ PM, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

বিনোদন প্রতিবেদক.

এদেশের তিন অবিনেত্রী জয়া আহসান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও আজমেরী হক বাঁধন। দেশের গণ্ডি পেড়িয়ে এখন মাতাচ্ছেন কোলকাতার ইন্ড্রাস্ট্রি। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে টালিউডেও সমান তালে কাজ করে যাচ্ছেন জয়া। চলতি বছর সৃজিত মুখার্জির ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেননি’ দিয়ে ওপার বাংলায় পা রাখেন বাঁধন। সবশেষ মিথিলাও যুক্ত হয়েছেন কলকাতার শোবিজে। এই তিন তারকাকে নিয়েই এখন চিন্তায় পড়েছেন কলকাতার অভিনেত্রীরা, প্রকাশ্যে হয়তো তারা বলছেন না কিন্ত আকার ইঙ্গিতে ঠিকই বুঝিয়ে দিচ্ছেন।

এই তিন নায়িকা যে ধরনের সিনেমায় অভিনয় করেন তা আগে পাওলি দাম, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, রাইমা সেনদের দেখা যেত। এখন এই ধরনের ছবিতে দেখা যায় শুভশ্রী, শ্রাবন্তী, মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহানেরাদেরও। বাংলাদেশি অভিনেত্রিদের প্রধান্য দেওয়ায় কলকাতার এক নায়িকা না প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, এমন অনেক চরিত্রই বাংলাদেশি অভিনেত্রীদের দেওয়া হয়, যেটা এখানকার যে কেউ করতে পারত। এমন তথ্য জানিয়েছে কলকাতার আনন্দবাজার।

বাংলাদেশের জয়া আহসান বলেছেন, কাজের সুযোগ সকলেরই আছে। আনন্দ প্লাসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার বক্তব্য, ‘‘সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকা তো ভালোই। আমার মতে শিল্পের কোনও সীমারেখা থাকা উচিত নয়।

মিথিলা বলছেন, কেউ কারও কাজ, জায়গা কেড়ে নিতে পারে বলে মনে হয় না। সবাই নিজের যোগ্যতা দিয়ে কাজ পাচ্ছেন। আমি বৈবাহিক সূত্রে কলকাতায় থাকছি, তাই এখানেই কাজ করছি এখন। তবে আমি এখানে সদ্য কাজ শুরু করেছি। আমাকে বোধহয় কারও প্রতিযোগী হিসেবে দেখাটা ঠিক হবে না। অভিনেত্রী মনে করিয়ে দেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়-সহ অনেকেই বাংলাদেশে গিয়ে কাজ করেছেন।

তবে আজমেরী হক বাঁধন মনে করেন, এই চর্চাগুলো অভিনেত্রীদের ওপরে বাড়তি চাপ তৈরি করে। অনেকে বলছেন, বাংলাদেশ থেকে অভিনেত্রীরা এসে কাজ করায় টলিউডের কিছু অভিনেত্রীর মনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আসলে আমাদের সমাজ এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে দেয়। বিশেষ করে নারীদের ওপরেই বেশি চাপ তৈরি করা হয়। কেন এই চাপগুলো আমাদের নিতে হবে? এগুলো এড়িয়ে সদর্থক দিকগুলো ভাবলে, সকলেরই ভালো হবে। সকলে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবেন। কথাটা কলকাতা-বাংলাদেশ সব ইন্ডাস্ট্রির জন্যই বলছি।

আপনার মতামত লিখুন :