সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ কলার হাট দিনাজপুরে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১
  • ৫১ Time View

বিশেষ প্রতিবেদক দিনাজপুর.

উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ  পাইকারি কলার হাট দিনাজপুরের কাহারোলের দশ মাইল এলাকায়। এই হাটে সকাল থেকেই চাষি, ব্যবসায়ী ও পাইকারদের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে ওঠে। এ হাটে  কলার সরবরাহ বেশি হওয়ায় গত  সপ্তাহ থেকে কলার দাম কিছুটা কম। তারপরও কলা চাষিরা ফলন ভালো হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন।

কলার হাকটি সুবিধা রয়েছে। কলা খেতে ছয় মাস পর্যন্ত সাথী ফসল হিসেবে নানা জাতের সবজি চাষ করা যায়। যা বিক্রি করে সহজেই কলা খেত পরিচর্যা করতে পারেন। কাহারোলের চাষি সুকুমার জানান, এক একর কলা আবাদ করে খরচ বাদ দিয়ে ১ লাখ টাকা লাভ হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যে জানা যায়, জেলায় উচ্চফলনশীল বিভিন্ন জাতের মধ্যে মেহের সাগর, সাগর, চিনিচম্পা, সবরী ও সুন্দরী (মালভোগ) জাতের উল্লেখযোগ্য উচ্চফলনশীল কলার চাষ হচ্ছে। বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত কলা গাছের চারা রোপণ করা হয়।

এক একরে ১ হাজার কলা চারা রোপণ করা যায়। ১৪ মাস পর চাষিরা ওই কলা খেত থেকে ১ হাজার কলার কাদি সংগ্রহ করতে পারেন। তবে কলাচাষিদের মধ্যে বেশির ভাগই ভূমিহীন কৃষক, পরিত্যক্ত ও অনাবাদি জমি লিজ নিয়ে ভূমিহীনরা কলা চাষ করছেন।

চারা রোপণের তিন-চার মাসের মধ্যে গাছে কলার থোর আসে। এক একটি পির/কাদি থেকে ৬-৮ কলার ছড়ি পাওয়া যায়। জেলায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে।ট ইজারাদার আবদুল জলিল জানান, স্থান সংকুলান না হওয়ায় কলা বেচাকেনাসহ বাইরের বেপারী এবং ট্রাক রাখতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কলার হাটে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা বেচাকেনা হয়। আর এখানে পাইকার, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পরিবহনসহ ২ হাজার মানুষ জড়িত।

কলা চাষিরা বলছেন, কলা চাষে আরেকটি সুবিধা রয়েছে। কলা খেতে ছয় মাস পর্যন্ত সাথী ফসল হিসেবে নানা জাতের সবজি চাষ করা যায়। যা বিক্রি করে সহজেই কলা খেত পরিচর্যা করতে পারেন। কাহারোলের চাষি সুকুমার জানান, এক একর কলা আবাদ করে খরচ বাদ দিয়ে ১ লাখ টাকা লাভ হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যে জানা যায়, জেলায় উচ্চফলনশীল বিভিন্ন জাতের মধ্যে মেহের সাগর, সাগর, চিনিচম্পা, সবরী ও সুন্দরী (মালভোগ) জাতের উল্লেখযোগ্য উচ্চফলনশীল কলার চাষ হচ্ছে। বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত কলা গাছের চারা রোপণ করা হয়। এক একরে ১ হাজার কলা চারা রোপণ করা যায়। ১৪ মাস পর চাষিরা ওই কলা খেত থেকে ১ হাজার কলার কাদি সংগ্রহ করতে পারেন। তবে কলাচাষিদের মধ্যে বেশির ভাগই ভূমিহীন কৃষক, পরিত্যক্ত ও অনাবাদি জমি লিজ নিয়ে ভূমিহীনরা কলা চাষ করছেন। চারা রোপণের তিন-চার মাসের মধ্যে গাছে কলার থোর আসে। এক একটি পির/কাদি থেকে ৬-৮ কলার ছড়ি পাওয়া যায়। জেলায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে।

Tag :
Popular Post

উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ কলার হাট দিনাজপুরে

Update Time : ০৬:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১

বিশেষ প্রতিবেদক দিনাজপুর.

উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ  পাইকারি কলার হাট দিনাজপুরের কাহারোলের দশ মাইল এলাকায়। এই হাটে সকাল থেকেই চাষি, ব্যবসায়ী ও পাইকারদের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে ওঠে। এ হাটে  কলার সরবরাহ বেশি হওয়ায় গত  সপ্তাহ থেকে কলার দাম কিছুটা কম। তারপরও কলা চাষিরা ফলন ভালো হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন।

কলার হাকটি সুবিধা রয়েছে। কলা খেতে ছয় মাস পর্যন্ত সাথী ফসল হিসেবে নানা জাতের সবজি চাষ করা যায়। যা বিক্রি করে সহজেই কলা খেত পরিচর্যা করতে পারেন। কাহারোলের চাষি সুকুমার জানান, এক একর কলা আবাদ করে খরচ বাদ দিয়ে ১ লাখ টাকা লাভ হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যে জানা যায়, জেলায় উচ্চফলনশীল বিভিন্ন জাতের মধ্যে মেহের সাগর, সাগর, চিনিচম্পা, সবরী ও সুন্দরী (মালভোগ) জাতের উল্লেখযোগ্য উচ্চফলনশীল কলার চাষ হচ্ছে। বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত কলা গাছের চারা রোপণ করা হয়।

এক একরে ১ হাজার কলা চারা রোপণ করা যায়। ১৪ মাস পর চাষিরা ওই কলা খেত থেকে ১ হাজার কলার কাদি সংগ্রহ করতে পারেন। তবে কলাচাষিদের মধ্যে বেশির ভাগই ভূমিহীন কৃষক, পরিত্যক্ত ও অনাবাদি জমি লিজ নিয়ে ভূমিহীনরা কলা চাষ করছেন।

চারা রোপণের তিন-চার মাসের মধ্যে গাছে কলার থোর আসে। এক একটি পির/কাদি থেকে ৬-৮ কলার ছড়ি পাওয়া যায়। জেলায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে।ট ইজারাদার আবদুল জলিল জানান, স্থান সংকুলান না হওয়ায় কলা বেচাকেনাসহ বাইরের বেপারী এবং ট্রাক রাখতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কলার হাটে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা বেচাকেনা হয়। আর এখানে পাইকার, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পরিবহনসহ ২ হাজার মানুষ জড়িত।

কলা চাষিরা বলছেন, কলা চাষে আরেকটি সুবিধা রয়েছে। কলা খেতে ছয় মাস পর্যন্ত সাথী ফসল হিসেবে নানা জাতের সবজি চাষ করা যায়। যা বিক্রি করে সহজেই কলা খেত পরিচর্যা করতে পারেন। কাহারোলের চাষি সুকুমার জানান, এক একর কলা আবাদ করে খরচ বাদ দিয়ে ১ লাখ টাকা লাভ হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যে জানা যায়, জেলায় উচ্চফলনশীল বিভিন্ন জাতের মধ্যে মেহের সাগর, সাগর, চিনিচম্পা, সবরী ও সুন্দরী (মালভোগ) জাতের উল্লেখযোগ্য উচ্চফলনশীল কলার চাষ হচ্ছে। বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত কলা গাছের চারা রোপণ করা হয়। এক একরে ১ হাজার কলা চারা রোপণ করা যায়। ১৪ মাস পর চাষিরা ওই কলা খেত থেকে ১ হাজার কলার কাদি সংগ্রহ করতে পারেন। তবে কলাচাষিদের মধ্যে বেশির ভাগই ভূমিহীন কৃষক, পরিত্যক্ত ও অনাবাদি জমি লিজ নিয়ে ভূমিহীনরা কলা চাষ করছেন। চারা রোপণের তিন-চার মাসের মধ্যে গাছে কলার থোর আসে। এক একটি পির/কাদি থেকে ৬-৮ কলার ছড়ি পাওয়া যায়। জেলায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে।