চাহিদামতো টাকা দিতে না পারায় শিক্ষকদের বিদ্যালয় থেকে বের করে দিলেন প্রধান শিক্ষক

মোঃ মাজেম আলীমোঃ মাজেম আলী
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০১:২৩ PM, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২

বিশেষ প্রতিবেদক সিংড়া.

নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলনবিল প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মোছা. আনজুমান আরা ও সাবেক সভাপতি মো. সোহেল রানার বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি নাটোর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই স্কুলের ছয়জন শিক্ষক-কর্মচারী। একই অভিযোগ সিংড়ার পৌরমেয়রসহ বিভিন্ন দপ্তরেও দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক-কর্মচারী।

অভিযোগে সুত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় প্রধান শিক্ষক মোছা. আনজুমান আরাকে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করেন ওই ছয়জন শিক্ষক-কর্মচারী। সে সময় প্রধান শিক্ষক ও সাবেক সভাপতি কয়েকজনকে নিয়োগপত্র ও যোগদানপত্র দেন।

হঠাৎ গত ১ ফেব্রুয়ারি আবারও প্রত্যেকের কাছ থেকে সাত লাখ টাকা দাবি করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সাবেক সভাপতি। তাদের চাহিদামতো টাকা দিতে না পারায় তাদের মৌখিকভাবে স্কুল থেকে বের করে দেন।

অভিযোগকারী শিক্ষক আতিকুর রহমান বলেন, চাহিদামতো টাকা দিতে না পারায় চাকরি নেই বলে মৌখিকভাবে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক মনির হোসেন বলেন, তার স্থলে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অন্য কাউকে নিয়োগের পাঁয়তারা করছেন প্রধান শিক্ষক। শিক্ষক বিউটি পারভীন বলেন, এ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকের হাতে প্রায় আড়াই লাখ টাকা তুলে দিয়েছেন। বারবার নিয়োগপত্র চাওয়ায় বিভিন্ন টালবাহনা করে আসছেন। অভিযুক্ত সিংড়া চলনবিল প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. আনজুমান আরা মুঠোফোনে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ মিথ্যা।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নাটোর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।

অভিযোগের তদন্ত করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এমএম সামিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে শুনেছি বিদ্যালয়ে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :