কল্লোল ফাউন্ডেশনের উদ্বোগে বির্তক উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধা

মোঃ মাজেম আলীমোঃ মাজেম আলী
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:২৫ PM, ৩১ মার্চ ২০২২

মোঃ মাজেম আলী মলিন.
“যুক্তির শাণিত ধারে ছিন্ন হোক আঁধার” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নাটোরের স্বেচ্ছা সেবী সংগঠন (জয় বাংলা ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত) প্রতিষ্ঠান কল্লোল ফাউন্ডেশানের উদ্বোগে অনুষ্ঠিত হলো বির্তক উৎসব ও সাংস্কুতিক সন্ধা।

মহান স্বাধিনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ৩১ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে নাটোরের গুরুদাসপুর সরকারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যািলয়ে মাঠে ওই বিতর্ক উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কল্লোল ফাউন্ডেশানের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিল্টন উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশানের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা ও বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. একরামুল হক।

সম্মানিত অতিথি ছিলেন গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তমাল হোসেন, বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মারিয়াম খাতুন, গুরুদাসপুর থানার ওসি মোঃ আব্দুল মতিন,দাতা সদস্য আসিফ আব্দুল্লাহ বিন কুদ্দুস শোভন অহবায়ক বির্তক প্রতিযোগিতা উপকমিটি, কল্লোল ডিবেট সোসাইটির সভাপতি আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক শারমিন, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ফাউন্ডেশানের সদস্য বৃন্দসহ হাজারো সংগীত পিপাঁসু এবং শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তি।


আয়োজক কমিটি সুত্রে জানাযায়,প্রতিযোগিতায় চিত্রাংকনে গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম দুই উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক শিশু কিশোর শিক্ষার্থী চারটি দলে বিভক্ত হয়ে অংশ গ্রহন করে। প্রতিটি দল থেকে ১ম,২য় ও ৩য় সহ মোট ১২ জনকে ক্রেষ্ট, সনদ ও উপহার দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বির্তক প্রতিযোগিতায় দুই উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ২০টি দল অংশ গ্রহণ করে। সর্ব শেষ গুরুদাসপুর উপজেলার হাসমারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও বড়াইগ্রামের আগ্রাণ উচ্চ বিদ্যালয় ফাইনাল রাউন্ডে লড়াই শেষে প্রথম হয়েছে আগ্রান উচ্চ বিদ্যালয় ।রানারআপ হয়েছে হাসমারী মফিজ উদ্দিন মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। আজ ৩১ মার্চ তাদের চুড়ান্ত পর্ব শেষে তাদের সকলকে পুরষ্কৃত করা হয়েছে ।

পুরুস্কার বিতরণ শেষে ভারত-বাংলাদেশ শিল্পীদের সমন্বয়ে জমকালো সংগীতায়জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে মাস ব্যাপি চলা এই আয়োজনের। এতে সংগীত পরিবেশন করেন ভারতের জিনিয়া মজুমদার ঢাকার ব্যন্ড শিল্পী সুজন এছাড়াও রাজশাহী, বগুড়া সহ বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিল্পী বৃন্দ। রাত ১২ টা পর্যন্ত হাজারো দর্শক উপভোগ করেন এই জমকালো সংগীত আয়োজন। অনুষ্ঠানটির সহযোগিতায় ছিলেন প্রাণ কোম্পানি লিমিটেড ।

 

আপনার মতামত লিখুন :