গুরুদাসপুরে দু’পক্ষে সংঘর্ষে আহত ২,  গ্রেপ্তার ৩

বনলতা নিউজ ডেস্ক.বনলতা নিউজ ডেস্ক.
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:৫৭ PM, ০৫ অক্টোবর ২০২২

গুরুদাসপুর নাটোর প্রতিনিধি. 
নাটোরের গুরুদাসপুরে  সুদে টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র  করে বুধবার সকালে চলনালী গ্রামের গরু ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর প্রামানিক (৪০) সাথে পাচশিশা গ্রামের মফিজ প্রামানিকের ছেলে শাহিন (৪২) এর বাকবিতন্ডা  হয় এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষ রুপ নেয়।

সরেজমিন ও এলাকা বাসি সুত্রে জানাযায়, পাচশিশা দেবদার তলা  মোড়  জহুরুলের চা স্টলে ওই  দুই জনের   বাকবিতন্ডা হয়।  এসময় শাহিন তার সুদে দেওয়া পাওনা টাকা চাইতে গেলে জাহাঙ্গীর পরে দিবো বলে জানায়। এদিকে শাহিন তা মানতে নারাজ এনিয়ে দুজনের  মধ্যে দন্দ্ব বেধে যার।  এতে শাহিনের আঘাতে জাহাঙ্গীর আহত হন। পরবর্তীতে জাহাঙ্গীরের লোকজন এসে শাহিনের বাড়ি ঘর ভাংচুর করে  এবং শাহিনের ছোট ভাই শাকিবুল হোসেন বিল্টুকে(৩৫) মেরে আহত করে। তিনি গুরুদাসপুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
মারপিটের  ঘটনায় গুরুদাসপুর থানায় বাদী হয়ে জাহাঙ্গীরের বড় ভাই ওমর আলী মামলা দায়ের করেছেন। জাহাঙ্গীর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের চলনালী গ্রামের মৃত আরশেদ আলীর ছোট ছেলে। আবার অপর পক্ষে পার্শবর্তী পাঁচশিশা গ্রামের মফিজ উদ্দিনের স্ত্রী ছকিনা বেগম বাদী হয়ে আহত জাহাঙ্গীরসহ ২৩জনের বিরুদ্ধে থানায় পাল্টা মামলা দায়ের করেছেন। পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, সংঘর্ষ এবং মামলার কারণে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, বুধবার (৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দেবদার মোড়ে মফিজ উদ্দিনের ছেলে শাহিন ও তার লোকজন জাহাঙ্গীরকে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার কোমড় থেকে ৭ লাখ ৮২ হাজার টাকার কাপুড়ের তোরা ছিনিয়ে নেয়। জাহাঙ্গীর ওই টাকা নিয়ে রাজশাহীর চারঘাট রুস্তমপুর হাটে গরু কেনার জন্য যাচ্ছিলেন। তাকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশংকাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।
আবার আহত জাহাঙ্গীরের লোকজন প্রতিপক্ষ দলের মফিজ উদ্দিনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও তার ছেলে বিল্টুকে মারধর করে এবং বাড়িতে থাকা গহনাসহ নগদ ৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে মামলার বাদী ছকিনা বেগম জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য গত ২ অক্টোবর গরু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল মতিন বলেন, দুই পক্ষই মামলা করেছেন। ইতিমধ্যে মফিজ উদ্দিন(৬২), মোস্তফা মন্ডল(৪০) ও মুক্তার হোসেন(৩০) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন :