গুরুদাসপুরে শিক্ষার্থীদের সচেতন করলেন ইউএনও শ্রাবণী রায়

বনলতা নিউজ ডেস্ক.বনলতা নিউজ ডেস্ক.
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:১০ PM, ২১ নভেম্বর ২০২২

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি. নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শ্রাবণী রায়। সোমবার বেলা ১২টায় পৌর সদরের গুরুদাসপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ‘শেখ রাসেল স্কুল অব ফিউচার’ এর ডিজিটাল ল্যাব, আইসিটি লার্নিং সেন্টার, শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন শেষে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্ন করেন ইউএনও।

এসময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইউএনও শ্রাবণী রায় বলেন, মোটরসাইকেলে চড়তে হলে বয়স ১৮ বছর হতে হবে এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। আমার সামনে যদি এরকম মোটরসাইকেল পড়ে, যে ৩/৪ জন বন্ধু-বান্ধব মিলে বের হয়েছে, কিন্তু লাইসেন্স নাই, নিজের মোটরসাইকেল না, আমি সুন্দর করে ধরে জেলে পাঠিয়ে দিব।


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মিঠু ছাড়াও উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামনে ইউএনও আরো বলেন, স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকেই শিক্ষার্থীদের যতটুকু পড়াশোনা দরকার যতটুকু ঘাটতি আছে তার সম্পূর্ণ সুযোগ সুবিধা যেন পায়। জীবনে সফল হতে পড়াশোনা করতে হবে। মাদক ও বাল্যবিবাহ থেকে দূরে থাকতে হবে। জীবনটা খুবই সুন্দর, আত্মহত্যার প্রবণতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আমরা অনেক সময় খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাই কিন্তু ওইটাই জীবনের একমাত্র সময় না। খারাপ সময়ের পরে ভালো সময় আসে, আমাদের ততদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত। জ্ঞান সমৃদ্ধ বই পড়া এবং খেলাধুলার পাশাপাশি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক আচার অনুষ্ঠান পালন করলে খারাপ জিনিস থেকে দূরে থাকতে পারবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইউএনও শ্রাবনী রায় বলেন, ‘কঠোর প্রশিক্ষণ-সহজ যুদ্ধ’ শুধু যে আর্মি বা পুলিশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য তা না, তোমার আমার সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এখন তোমরা যে সময়টা পার করছো, কঠোর প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময়। যে যত পড়াশোনা করবে শ্রম দিবে, তার যুদ্ধটা ততো সহজ হবে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আর্মি, পুলিশসহ যেকোন ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। এটাকেই পাথেয় করে তোমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :