রংপুরে ডালিয়ার চমক নাকি মোস্তফার ‘ডাবল’

বনলতা নিউজ ডেস্ক.বনলতা নিউজ ডেস্ক.
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:১২ PM, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২

বনলতা ডেস্ক. রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামীকাল মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর)। এদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারই প্রথম রংপুর সিটির সবগুলো কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ভোটাররা। সঙ্গে প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ও কক্ষ মনিটরিংয়ে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এর আগে সবশেষ ২০১৭ সালের নির্বাচনে একটি মাত্র কেন্দ্র ছাড়া বাকি ১৯২ কেন্দ্রে ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করা হয়েছিল।

এবার রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাতটি রাজনৈতিক দলের সাতজনসহ নয়জন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়নি। আর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক মহানগর আমির মাহাবুবার রহমান বেলাল তফসিল ঘোষণার আগ থেকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর পর মনোনয়নপত্র কিনলেও শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্তে নির্বাচন থেকে সরে যান।

বর্তমানে মেয়র পদে জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) শফিয়ার রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল, খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল রাজু, জাকের পার্টির খোরশেদ আলম খোকন, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির আবু রায়হান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেহেদী হাসান বনি ও লতিফুর রহমান মিলন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভোটাররা বলছেন, ভোটযুদ্ধের প্রচারণা, গণসংযোগ ও পথসভা করা ছাড়াও জনপ্রিয়তা অর্জনে এগিয়ে আছেন জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ও সদ্য সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। আর সমানতালে প্রচারণা চালিয়েছেন সরকারদলীয় প্রার্থী অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বহিষ্কৃত নেতা ইঞ্জিনিয়ার লতিফুর রহমান মিলন। ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন তারা। তবে নয় মেয়র প্রার্থীর মধ্যে আলোচনায় থাকা মোস্তফা-ডালিয়া-মিলনের ভোটের ব্যবধানের হিসাব কত হবে, তা নিয়েও হিসাব চলছে অন্দরমহলে।

জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী, তার কর্মী-সমর্থক ও দলীয় নেতারা বলছেন, ২০১৭ সালের নির্বাচনের মতোই এবারো বিপুল ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো লাঙ্গল প্রতীকে ভোট বিপ্লব হবে। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তার দলের নেতাদের দাবি, উন্নয়নের স্বার্থেই এবার নগরবাসী নৌকায় ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিজয় উপহার দিবেন।

নগরীর মেডিকেল মোড় এলাকার হামিদা আফরোজ, সেনপাড়ার মেজবাহুল হিমেল, কামারপাড়ার মমিনুল ইসলাম, আমাশু এলাকার আল-আমিনসহ আরও বেশ কয়েকজন জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা এখন পর্যন্ত সবদিক থেকে এগিয়ে আছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়ার ভোট ভাগ হয়ে কিছু আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লতিফুর রহমান মিলনের বাক্সে যাবে। এজন্য আবারো মোস্তফা মেয়র হয়ে যেতে পারেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে নৌকা-লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যে। মাঠের অবস্থান, বিগত উন্নয়ন, জনসম্পৃক্ততা ও ব্যক্তি ইমেজসহ দলীয় কারণে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার জয়ের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।

এদিকে কেউ কেউ মনে করছেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া মনোনয়নপ্রাপ্তির মতো এবার ভোটেও চমক দেখাতে পারেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, রংপুরের পুত্রবধূ শেখ হাসিনার প্রতি মানুষের আস্থা, আওয়ামী লীগের উন্নয়ন এবং সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়ার পরিচিতিও লাঙ্গলের ঘাঁটিতে নৌকার বিজয় আনতে পারে।

নির্বাচন একতরফা হবে এবং লাঙ্গল প্রতীকে আবারো ভোটবিপ্লব হতে যাচ্ছে দাবি করে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, আমার আগের সরকারি দলের মেয়র পাঁচ বছরে ২৭০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করলেও আমার আমলে সাড়ে ১২০০ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী ইশতেহারের প্রধান এজেন্ডা রংপুরের প্রাণ শ্যামাসুন্দরী খাল দখলমুক্ত করতে আমার আমলে একটি সমন্বিত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে মেয়র হিসেবে আমার করা উন্নয়ন, জনসম্পৃক্ততা বিবেচনা করে লাঙ্গলের পক্ষে গণজোয়ার ওঠেছে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়া এই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী না থাকায় এবং জামায়াতের এক প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ায় সেই উত্তাপ নেই। এবার লাঙ্গলের পক্ষে জনগণের সৃষ্ট গণজোয়ারে নির্বাচন একতরফা হবে।

আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া বর্ধিত ওয়ার্ডের উন্নয়নসহ নগরীর যানজট ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও পরিকল্পিত উন্নয়নে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আধুনিক রংপুর নগর গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এসময় সাবেক এই সংসদ সদস্য সাংবাদিকদের বলেন, নৌকার পক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার ওঠেছে। আগামী ২৭ ডিসেম্বর বিপুল ভোটে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত। রংপুর যে নৌকার ঘাঁটি তা প্রমাণ হবে এ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। অতীতে রংপুরের কোনো নগরপিতা পরিকল্পিত উন্নয়ন করেনি।

ডালিয়া আরও বলেন, রংপুরের পুত্রবধূ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রংপুরবাসীকে বিভাগ, সিটি করপোরেশন, মেট্রোপলিটন পুলিশ, রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, চার লেন সড়ক, গ্যাস সংযোগ, হাইটেক পার্ক উপহার দিয়েছেন। তাই রংপুরবাসী আর ভুল করবে না। এবার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে নৌকায় ভোট দিয়ে একটি আধুনিক ও স্মার্ট সিটি করপোরেশন গড়তে প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত প্রার্থীকেই ভোট দিয়ে জয়ী করবেন।

এদিকে কৃষিভিত্তিক শিল্পনগরী ও পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিকল্পিত নগরী গড়তে চান আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী লতিফুর রহমান মিলন। অন্যসব প্রার্থীর মতো তিনিও সড়কের অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক বাতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতি, বিনোদন, স্বাস্থ্য, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বস্তিবাসীর উন্নয়নসহ যানজট ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

মাঠের চিত্র বিশ্লেষণ করে নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন ভিন্নকথা। এবার মেয়রের ক্ষেত্রে একতরফা ভোট পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রংপুর মহানগর সভাপতি ফখরুল আনাম বেঞ্জু বলেন, এবার আওয়ামী লীগের সেই ধরনের ডাকসাইটেড নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেই। হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া সাবেক মহিলা সংসদ সদস্য, সিনিয়র আইনজীবী এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা হলেও তিনি অন্যদের মতো মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে প্রচারণায় ছিলেন না। এখানে নৌকার মনোনয়নের জন্য মাঠে প্রচারণায় সরব ছিলেন অর্ধ ডজন নেতা। তাদের কাউকেই মনোনয়ন দেয়নি আওয়ামী লীগ। একেবারে মনোনয়নে চমক হিসেবে হোসনে আরা লুৎফার নাম চলে আসে। এতে করে মান-অভিমান ভাঙিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে নির্বাচনের মাঠ গোছানো আওয়ামী লীগের জন্য কষ্টকর ছিল। তাই নৌকার প্রচারণায় অনেক নেতাকর্মীকে মাঠে দেখা যায়নি। সে কারণে ২০১৭ সালের চেয়ে নৌকার ভোট কম হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তবে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান অনেক বেশি হওয়াটা ভবিষ্যত রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে দুই-একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মেয়র প্রার্থীদের প্রচারণা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীদের মাঝে বাকযুদ্ধ থাকলেও প্রচারণা ঘিরে ছিল না কোনো উত্তেজনা। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এমনটাই প্রত্যাশা প্রার্থীসহ নগরবাসীর।

রংপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ রয়েছে জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। আমরা আপনাদের ওপর আস্থা রাখছি। এটি হবে মডেল নির্বাচন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনারা এই নির্বাচনে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্বে অবহেলা হলে ডিপার্টমেন্ট কোনো দায় নেবে না, কাজেই নির্বাচনী বিধি মেনে সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আর যদি কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে, তাহলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ২২৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৬টি কেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এসব কেন্দ্রে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। সবাই যাতে নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এর জন্য সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে। ভোটার ছাড়া অন্য কেউ ভোটকক্ষের গোপন বুথে প্রবেশ করতে পারবেন না। প্রবেশ করলেই সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়বে এবং তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যেদের নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) কমিশনার নুরে আলম মিনা বলেন, যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে তাহলে ছাড় দেওয়া হবে না। বিগত নির্বাচনগুলোতেও দায়িত্ব অবহেলায় কাউকে ছাড় দেওয়া হয়নি, এবারো দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ছয় স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া মাঠে সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবে। নিরপেক্ষভাবে সার্ভিস রুল মেনে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যদি কেউ এর ব্যতিক্রম ঘটানোর চেষ্টা করেন তার দায়ভার প্রতিষ্ঠান নেবে না।

আরপিএমপি কমিশনার বলেন, নির্বাচনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসার সমন্বয়ে প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি মোবাইল ফোর্স থাকবে। এছাড়া প্রতি ৩টি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং প্রতি থানায় একটি করে রিজার্ভ স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। আর প্রতি ২টি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে র‌্যাবের টিম থাকবে।

স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে র‌্যাব-পুলিশের টিম সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। আর গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ৪ জন অস্ত্রসহ পুলিশ, দুইজন অস্ত্রসহ অঙ্গীভূত আনসার ও ১০ জন লাঠিসহ অঙ্গীভূত আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছে ৩৩ এবং ১৬ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচনে মাঠের পরিস্থিতি ঠিক রাখতে ১১ প্লাটুন বিজিবির সদস্যও কাজ করছেন।

উল্লেখ্য, এবার মেয়র পদে ৯ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৮৩ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৮ জনসহ সর্বমোট ২৬০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে একজন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এই নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে ২২৯ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ১ হাজার ৩৪৯ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া দুই হাজার ৬৯৮ জন পোলিং অফিসার থাকবেন। ভোটার সংখ্যা চার লাখ ২৬ হাজার ৪৭০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার দুই লাখ ১৪ হাজার ১৬৬ জন, পুরুষ দুই লাখ ১২ হাজার ৩০৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার একজন।

আপনার মতামত লিখুন :