শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শেষ হলো  সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২
  • ৮০ Time View

এম,এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উৎসবের মিলন মেলা শেষ হয়েছে।

নবীন-প্রবীণ শিক্ষার্থীদের দুই দিনের এই মিলন মেলায় সর্তীর্থদের পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পরেন। এই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার সময় যাঁরা একসঙ্গে ছিলেন, তাঁরা সহপাঠিদের খুঁজে বের করে স্মৃতি রোমন্থনে মেতে ওঠেন। উৎসবের প্রথমদিনেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই বিদ্যালয়ের শত শত প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এসে জড়ো হন । শতবর্ষ পূর্তি উৎসবে বিদ্যালয়ে রবিবার ও শনিবার দুই দনিব্যাপী নানা অনুষ্ঠানরে আয়োজন করা হয়।

উৎসবকে ঘিরে বিদ্যালয়সহ রাস্তা আলােকসজ্জা ও  শতর্বষ স্মরণকিা প্রকাশ করা হয়। যেটি উৎসর্গ করা হয়েছে যাঁদরে অক্লান্ত প্রচষ্টোয় প্রতষ্ঠিতি সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে বিদ্যালয়ের শহীদ শিক্ষার্থ ীদের উদ্দেশে। পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র আহমেদ ফিরোজ কবির বলেন, ১৯২০ সালে বদ্যিালয়টি স্থাপতি হলেও অল্প সময়ের মধ্যে খ্যাতি সমগ্র পাবনা জেলা ব্যাপি ছড়িয়ে পড়। শত বাধা অতিক্রম করে স্ব মহিমায় আজও দাঁড়িয়ে আছে বিদ্যালয়টি। বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের উপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র(ব্যাচ-১৯৮৭) ওহিদুজ্জামান লিটন জানান, আমি শুধুমাত্র আমার প্রাণের স্কুলের শতবর্ষের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে ছুটে এসেছি। অনুষ্ঠানে আসতে যা আনন্দ পেয়েছি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। তিনি আরো বলেন, ১৯৮৭ সালে এই স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেছি। প্রায় ৩৩ বছর পর আবার এই স্কুলে আসতে পারবো ভাবিনি। ৩৩ বছরের পুরোনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে আনন্দে দিশেহারা আমরা।‘

নবীন-প্রবীণ যাঁরা আছেন, তাঁরা সবাই আজ একসঙ্গে মিলিত হয়েছি। আমরা আর একশ বছর পাব না। তবে আগামী একশ বছর যারা এখানে লেখাপড়া করবে, তাদের জন্য দোয়া ও শুভ কামনা থাকবে।। প্রায় একই ধরনরে অনুভূতি ব্যক্ত করনে  অপর দুই বন্ধু সাখাওয়াত হোসেন ও সাইদুল হক। এর আগে উৎসবের প্রথম দিনে নিবন্ধিত হয়ে উপহার সামগ্রী গ্রহণের মধ্যে দিয়ে দুই দিনের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শতবর্ষ অনুষ্ঠানে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের উপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র(ব্যাচ-১৯৮৭) ওহিদুজ্জামান লিটন সহ কয়েকজন প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। রোববার, সম্মাননা প্রদান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উৎসব সমাপ্ত হয়।

সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম সামছুল আলম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম বলেন, এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করতে আমাদের অক্লান্ত পরিশ্রম হয়েছে। তবে পুরোনো-নতুনদের একসঙ্গে কাছে পেয়ে আমাদের সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে।

Tag :
Popular Post

শেষ হলো  সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা

Update Time : ০৭:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২

এম,এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উৎসবের মিলন মেলা শেষ হয়েছে।

নবীন-প্রবীণ শিক্ষার্থীদের দুই দিনের এই মিলন মেলায় সর্তীর্থদের পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পরেন। এই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার সময় যাঁরা একসঙ্গে ছিলেন, তাঁরা সহপাঠিদের খুঁজে বের করে স্মৃতি রোমন্থনে মেতে ওঠেন। উৎসবের প্রথমদিনেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই বিদ্যালয়ের শত শত প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এসে জড়ো হন । শতবর্ষ পূর্তি উৎসবে বিদ্যালয়ে রবিবার ও শনিবার দুই দনিব্যাপী নানা অনুষ্ঠানরে আয়োজন করা হয়।

উৎসবকে ঘিরে বিদ্যালয়সহ রাস্তা আলােকসজ্জা ও  শতর্বষ স্মরণকিা প্রকাশ করা হয়। যেটি উৎসর্গ করা হয়েছে যাঁদরে অক্লান্ত প্রচষ্টোয় প্রতষ্ঠিতি সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে বিদ্যালয়ের শহীদ শিক্ষার্থ ীদের উদ্দেশে। পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র আহমেদ ফিরোজ কবির বলেন, ১৯২০ সালে বদ্যিালয়টি স্থাপতি হলেও অল্প সময়ের মধ্যে খ্যাতি সমগ্র পাবনা জেলা ব্যাপি ছড়িয়ে পড়। শত বাধা অতিক্রম করে স্ব মহিমায় আজও দাঁড়িয়ে আছে বিদ্যালয়টি। বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের উপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র(ব্যাচ-১৯৮৭) ওহিদুজ্জামান লিটন জানান, আমি শুধুমাত্র আমার প্রাণের স্কুলের শতবর্ষের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে ছুটে এসেছি। অনুষ্ঠানে আসতে যা আনন্দ পেয়েছি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। তিনি আরো বলেন, ১৯৮৭ সালে এই স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেছি। প্রায় ৩৩ বছর পর আবার এই স্কুলে আসতে পারবো ভাবিনি। ৩৩ বছরের পুরোনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে আনন্দে দিশেহারা আমরা।‘

নবীন-প্রবীণ যাঁরা আছেন, তাঁরা সবাই আজ একসঙ্গে মিলিত হয়েছি। আমরা আর একশ বছর পাব না। তবে আগামী একশ বছর যারা এখানে লেখাপড়া করবে, তাদের জন্য দোয়া ও শুভ কামনা থাকবে।। প্রায় একই ধরনরে অনুভূতি ব্যক্ত করনে  অপর দুই বন্ধু সাখাওয়াত হোসেন ও সাইদুল হক। এর আগে উৎসবের প্রথম দিনে নিবন্ধিত হয়ে উপহার সামগ্রী গ্রহণের মধ্যে দিয়ে দুই দিনের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শতবর্ষ অনুষ্ঠানে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের উপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র(ব্যাচ-১৯৮৭) ওহিদুজ্জামান লিটন সহ কয়েকজন প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। রোববার, সম্মাননা প্রদান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উৎসব সমাপ্ত হয়।

সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম সামছুল আলম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম বলেন, এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করতে আমাদের অক্লান্ত পরিশ্রম হয়েছে। তবে পুরোনো-নতুনদের একসঙ্গে কাছে পেয়ে আমাদের সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে।