বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রধান মন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি একজন যুব মহিলা লীগ নেত্রীর আত্বচিৎকার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০
  • ১১৫ Time View
প্রভাষক মো.মাজেম আলী মলিন
একজন যুবলীগ নেত্রী, একজন মহিলা , মা, বোন যাই বলিনা কেন সর্বপরি সে একজন মানুষ । সম্পর্কে সে আমার রক্তের কেউ না হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতি নিয়ত দেখি তার আত্বচিৎকার। কেন? পরিবারে তার আপন কেই নেই বলে নাকি উচ্চ পদস্থ্য চাচা খালু না থাকার কারনে তার এই অবস্থা। ধরে নিলাম সে একজন সমাজের তল দেশের অবহেলিত মহিলা। তাই বলে কি তার বাঁচার আধিকার টুকুও নেই। ওই মহিলাটাকে তো দেখি রাজনীতির মাঠে তার ব্যাপক পদচারনা। এমপি,মন্ত্রী চেয়ারম্যান সবার মিশিলেরই তো সামনের কাতারে তার আবস্থান। পোস্টও তো দেখলাম কমিটির কার্যকরি সদস্য বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগ। সে সব কথা না হয় বাদই দিলাম। কারন দল ক্ষমতায় থাকলে  বসন্তর ককিলের অভাব হয়না। দু:সময়ের রাজনৈতিক রাস্তা মাঠ কাঁপানো অনেক নেতা কর্মীকেই হয়ত আপনি খুজে পাবেন না। হয় অভিমানে নয়ত হাইব্রিডদের অত্যাচারে নির্মভাবে ভাবে আঘাত পাওয়া মনিকাদের মত হাজারো অবহেলিত নেতা কর্মীদের।
বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে তার খোলা চিঠির  আমি আপনার তৃনমুলের ক্ষুদ্র কর্মী মাত্র। আমার উপর গত ৭ ই  মার্চ পূর্ব পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। দীর্ঘ প্রায় ২ মাস হয়ে এলো এখনো পর্যন্ত কোন বিচার আমি পাইনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এতো দিনে আমি এটাও বুঝে গেছি আমার উপর যারা হত্যার উদ্দেশ্য নির্যাতন করেছে তাদের বিচার একমাত্র আপনি দৃষ্টি দিলেই সম্ভব। তাছাডা কোন দিনও এই সন্ত্রাসী মইনুল মেম্বার এবং এর ক্যাডার সোহাগ ও কাইয়ুম বাহিনী বিচার হবে না।কারণ দীর্ঘ দিন ধরে এই মইনুল মেম্বার আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল, আমি অপারগ হয়ে আমার আশুলিয়া থানায়  আমার পরিবারের নিরাপত্তার চেয়ে একটা জি ডি করে রেখেছিলাম। সে স্থানীয় মেম্বার বলে ক্ষমতা দাপট দেখানোর জন্য আমার নামে মিথ্যা একটা চারিত্রিক সনদ পত্র তৈরী করে এবং লিফলেটের মতো বিতরণ করেন যা আমার ও আমার পরিবারের জন্য অনেক লজ্জ¦া দায়ক ্এবং বেদনা দায়কও বটে। একজন মেম্বারের কি অধিকার আছে চারিত্রিক সনদ পত্র দেবার? তবুও  আমি বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান,উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সংগঠন এর সকল নেত্রীবৃন্দের বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়ে অবগত করেছি। সর্বশেষ মাননীয়  ত্রান ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুল রহমান স্যার কে বিষয়টি অবগত করার পর তিনি ফোনে ওই মেম্বরকে সতর্ক করেন। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয় নাই বরং অশ্লিলতার মাত্রা আরো বেশী হয়ে গেছে। কারণ হলো আমি সামান্য একজন কর্মী, আমার বাবা কোন এম,পি- মন্ত্রী বা আওয়ামী লীগের কোন বড় পদবীর নেতা ছিলেন না,আমার বড় একটা ভাইও নেই প্রতিবাদ করার মত আর ছাড়া  আমারা  মধবিত্ত পরিবারের মেয়ে।ওই ঘটনার পর আমাকে যখন ওরা রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রাখে তখন প্রশাসনের লোক এসে আমাকে উদ্ধার করে ঘটনা স্থান থেকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ততক্ষণে আমার শরীরের অবস্থা আশঙ্কা জনক। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক  আমার অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত আমাকে এক্সরে করেন এবং রিপোর্টে  আমার ২হাত- ২পায়ের হাড় ভেঙ্গে গেছে এবং ডান পায়ের হাটু গুড়া হয়ে গেছে। ডাক্তার আমার পরিবারের সাথে কথা বলে তখনই অপারেশন এর সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি বলেন অনেক রক্ত ক্ষরণ হয়েছে দ্রুত ৬ ব্যাগ রক্ত ব্যবস্থা করতে বলেন। অপারেশন শেষে আমার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়াতে আই-সি-ইউ তে ৭২ ঘন্টা অবজারভেশনে রাখা হয়। ঘটনার ৬ দিন পরে আবার এক্সরে করে হাত- পায়ের অবস্থার কোন  পরিবর্তন না হওয়ায় ৭ দিনের মাথায় আবার অপারেশন করেন তখনও ৩ ব্যাগ রক্ত লাগে। আজকে প্রায় ২ হয়ে এলো এখনো আমার ২ পায়ের কোন পরিবর্তন হচ্ছে না। আমার অসহায় পরিবার প্রতিটি মুহূর্ত হুমকি মুখে দিন পার করছে। আমার বাবাকেও হুমকি দিচ্ছে মামলা তুলে না নিলে আমার বাবার লাশ পাওয়া যাবে না। মইনুল মেম্বার সহ তার ক্যাডার বাহিনী বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীসহ নারী নির্যাতন জমিদখল মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। কিন্তু অবৈধ টাকা আর ওপরের আর্শিবাদে বার বার জামিনে চলে আসে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার পরিবারের আমি সবার বড়, আমার ছোট ২ বোন ও ১ ভাই রয়েছে। আমার বাচ্চা ছোট মায়ের কাছে আসার জন্য সারাক্ষণ কাঁন্না করে আমার শারীরিক অবস্থা ভালো না তাই আলাদা করে রাখতে হচ্ছে। এ যে কতটা যন্ত্রণার তা একমাত্র আল্লাহ পাক জানেন। আমি আর দাঁড়াতে পারবো কি না জানি না। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আমাদের পরিবারের বিশেষ অনুরোধ সন্ত্রাসী মইনুল মেম্বার সহ তার ক্যাডার বাহিনী সুষ্ঠু বিচার আপনি করবেন। যাতে আর কোন মা-বোন আমার মতো রক্তাক্ত হয়ে রাস্তাা ঘাটে না পড়ে থাকে। এমন অনেক মেয়েরা সংগঠনে আসেন কিন্তু সাংগঠনিক কোন সহযোগিতা পায়না,শুধু মাত্র আপনাকে ভালবেসে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ নিয়ে স্বামী-সংসার শিশু সন্তান ফেলে রাস্তাায় দাঁড়িয়ে জয় বাংলা  শ্লোাগান দেওয়া সে সব দুর্ভাগা মেয়েরা যখন বিপদে পরে তার পাশে সংগঠনের কোন নেতাকর্মী এসে দাঁড়ায় না। আপনি বিচক্ষণ, আপনি মমতাময়ী মা আপনি আপনার মেয়ে নির্যাতনের বিচার অবশ্যই করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। # প্রভাষক মো.মাজেম আলী মলিন সভাপতি গুরুদাসপুর মডেল প্রেসক্লাব, প্রকাশক ও সম্পাদক  দৈনিক বনলতা গুরুদাসপুর,নাটোর।

Tag :

প্রধান মন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি একজন যুব মহিলা লীগ নেত্রীর আত্বচিৎকার

Update Time : ০১:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০
প্রভাষক মো.মাজেম আলী মলিন
একজন যুবলীগ নেত্রী, একজন মহিলা , মা, বোন যাই বলিনা কেন সর্বপরি সে একজন মানুষ । সম্পর্কে সে আমার রক্তের কেউ না হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতি নিয়ত দেখি তার আত্বচিৎকার। কেন? পরিবারে তার আপন কেই নেই বলে নাকি উচ্চ পদস্থ্য চাচা খালু না থাকার কারনে তার এই অবস্থা। ধরে নিলাম সে একজন সমাজের তল দেশের অবহেলিত মহিলা। তাই বলে কি তার বাঁচার আধিকার টুকুও নেই। ওই মহিলাটাকে তো দেখি রাজনীতির মাঠে তার ব্যাপক পদচারনা। এমপি,মন্ত্রী চেয়ারম্যান সবার মিশিলেরই তো সামনের কাতারে তার আবস্থান। পোস্টও তো দেখলাম কমিটির কার্যকরি সদস্য বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগ। সে সব কথা না হয় বাদই দিলাম। কারন দল ক্ষমতায় থাকলে  বসন্তর ককিলের অভাব হয়না। দু:সময়ের রাজনৈতিক রাস্তা মাঠ কাঁপানো অনেক নেতা কর্মীকেই হয়ত আপনি খুজে পাবেন না। হয় অভিমানে নয়ত হাইব্রিডদের অত্যাচারে নির্মভাবে ভাবে আঘাত পাওয়া মনিকাদের মত হাজারো অবহেলিত নেতা কর্মীদের।
বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে তার খোলা চিঠির  আমি আপনার তৃনমুলের ক্ষুদ্র কর্মী মাত্র। আমার উপর গত ৭ ই  মার্চ পূর্ব পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। দীর্ঘ প্রায় ২ মাস হয়ে এলো এখনো পর্যন্ত কোন বিচার আমি পাইনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এতো দিনে আমি এটাও বুঝে গেছি আমার উপর যারা হত্যার উদ্দেশ্য নির্যাতন করেছে তাদের বিচার একমাত্র আপনি দৃষ্টি দিলেই সম্ভব। তাছাডা কোন দিনও এই সন্ত্রাসী মইনুল মেম্বার এবং এর ক্যাডার সোহাগ ও কাইয়ুম বাহিনী বিচার হবে না।কারণ দীর্ঘ দিন ধরে এই মইনুল মেম্বার আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল, আমি অপারগ হয়ে আমার আশুলিয়া থানায়  আমার পরিবারের নিরাপত্তার চেয়ে একটা জি ডি করে রেখেছিলাম। সে স্থানীয় মেম্বার বলে ক্ষমতা দাপট দেখানোর জন্য আমার নামে মিথ্যা একটা চারিত্রিক সনদ পত্র তৈরী করে এবং লিফলেটের মতো বিতরণ করেন যা আমার ও আমার পরিবারের জন্য অনেক লজ্জ¦া দায়ক ্এবং বেদনা দায়কও বটে। একজন মেম্বারের কি অধিকার আছে চারিত্রিক সনদ পত্র দেবার? তবুও  আমি বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান,উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সংগঠন এর সকল নেত্রীবৃন্দের বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়ে অবগত করেছি। সর্বশেষ মাননীয়  ত্রান ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুল রহমান স্যার কে বিষয়টি অবগত করার পর তিনি ফোনে ওই মেম্বরকে সতর্ক করেন। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয় নাই বরং অশ্লিলতার মাত্রা আরো বেশী হয়ে গেছে। কারণ হলো আমি সামান্য একজন কর্মী, আমার বাবা কোন এম,পি- মন্ত্রী বা আওয়ামী লীগের কোন বড় পদবীর নেতা ছিলেন না,আমার বড় একটা ভাইও নেই প্রতিবাদ করার মত আর ছাড়া  আমারা  মধবিত্ত পরিবারের মেয়ে।ওই ঘটনার পর আমাকে যখন ওরা রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রাখে তখন প্রশাসনের লোক এসে আমাকে উদ্ধার করে ঘটনা স্থান থেকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ততক্ষণে আমার শরীরের অবস্থা আশঙ্কা জনক। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক  আমার অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত আমাকে এক্সরে করেন এবং রিপোর্টে  আমার ২হাত- ২পায়ের হাড় ভেঙ্গে গেছে এবং ডান পায়ের হাটু গুড়া হয়ে গেছে। ডাক্তার আমার পরিবারের সাথে কথা বলে তখনই অপারেশন এর সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি বলেন অনেক রক্ত ক্ষরণ হয়েছে দ্রুত ৬ ব্যাগ রক্ত ব্যবস্থা করতে বলেন। অপারেশন শেষে আমার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়াতে আই-সি-ইউ তে ৭২ ঘন্টা অবজারভেশনে রাখা হয়। ঘটনার ৬ দিন পরে আবার এক্সরে করে হাত- পায়ের অবস্থার কোন  পরিবর্তন না হওয়ায় ৭ দিনের মাথায় আবার অপারেশন করেন তখনও ৩ ব্যাগ রক্ত লাগে। আজকে প্রায় ২ হয়ে এলো এখনো আমার ২ পায়ের কোন পরিবর্তন হচ্ছে না। আমার অসহায় পরিবার প্রতিটি মুহূর্ত হুমকি মুখে দিন পার করছে। আমার বাবাকেও হুমকি দিচ্ছে মামলা তুলে না নিলে আমার বাবার লাশ পাওয়া যাবে না। মইনুল মেম্বার সহ তার ক্যাডার বাহিনী বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীসহ নারী নির্যাতন জমিদখল মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। কিন্তু অবৈধ টাকা আর ওপরের আর্শিবাদে বার বার জামিনে চলে আসে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার পরিবারের আমি সবার বড়, আমার ছোট ২ বোন ও ১ ভাই রয়েছে। আমার বাচ্চা ছোট মায়ের কাছে আসার জন্য সারাক্ষণ কাঁন্না করে আমার শারীরিক অবস্থা ভালো না তাই আলাদা করে রাখতে হচ্ছে। এ যে কতটা যন্ত্রণার তা একমাত্র আল্লাহ পাক জানেন। আমি আর দাঁড়াতে পারবো কি না জানি না। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আমাদের পরিবারের বিশেষ অনুরোধ সন্ত্রাসী মইনুল মেম্বার সহ তার ক্যাডার বাহিনী সুষ্ঠু বিচার আপনি করবেন। যাতে আর কোন মা-বোন আমার মতো রক্তাক্ত হয়ে রাস্তাা ঘাটে না পড়ে থাকে। এমন অনেক মেয়েরা সংগঠনে আসেন কিন্তু সাংগঠনিক কোন সহযোগিতা পায়না,শুধু মাত্র আপনাকে ভালবেসে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ নিয়ে স্বামী-সংসার শিশু সন্তান ফেলে রাস্তাায় দাঁড়িয়ে জয় বাংলা  শ্লোাগান দেওয়া সে সব দুর্ভাগা মেয়েরা যখন বিপদে পরে তার পাশে সংগঠনের কোন নেতাকর্মী এসে দাঁড়ায় না। আপনি বিচক্ষণ, আপনি মমতাময়ী মা আপনি আপনার মেয়ে নির্যাতনের বিচার অবশ্যই করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। # প্রভাষক মো.মাজেম আলী মলিন সভাপতি গুরুদাসপুর মডেল প্রেসক্লাব, প্রকাশক ও সম্পাদক  দৈনিক বনলতা গুরুদাসপুর,নাটোর।