শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নাটোরে বউ বাজি রেখে মোবাইল জুয়ায় খেলা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০
  • ৭৯ Time View

বনলতা নিউজ ডেস্ক.

নাটোর সদর উপজেলার হালসা এলাকায় বউ বাজি রেখে মোবাইলে লুডু খেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ফিরোজা এবং রেখা নামে দুইজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে পার হালসা আশ্রায়ন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, রাতে শাজাহানের ছেলে আশিক, শুকুরের ছেলে মহসিন ও শফি মণ্ডলের ছেলে শহিদ মিলে মোবাইলে লুডুতে জুয়া খেলছিল। ওই জুয়ায় একজনের টাকা শেষ হয়ে যাবার  পর তার নিজের স্ত্রীকে বাজি রেখে জুয়া খেলা চালিয়ে যেতে থাকে । পরে বিষয়টি তাদের পরিবারের মধ্যে জানাজানি হয়। পরে তাদের স্ত্রীরা এসে সেখানে ঝগড়া শুরু করেন। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তারা যে যার বাড়ি চলে যান। পরে রেখার ছেলে রাকিব ও ভাই রঞ্জু আশিকের বাড়িতে গিয়ে তার শ্বাশুড়ি ফিরোজাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এতে মহিউদ্দিনের স্ত্রী রেখা খাতুনও আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে ভিকটিমদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাদের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নাটোর সদর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে তারা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। অনলাইনে জুয়া খেলার ব্যাপারে তিনি জানান, এ ব্যাপারে তিনি জানতেন না। এমনটি ঘটলে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থ নেয়া হবে।

Tag :
Popular Post

নাটোরে বউ বাজি রেখে মোবাইল জুয়ায় খেলা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২

Update Time : ০৯:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০

বনলতা নিউজ ডেস্ক.

নাটোর সদর উপজেলার হালসা এলাকায় বউ বাজি রেখে মোবাইলে লুডু খেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ফিরোজা এবং রেখা নামে দুইজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে পার হালসা আশ্রায়ন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, রাতে শাজাহানের ছেলে আশিক, শুকুরের ছেলে মহসিন ও শফি মণ্ডলের ছেলে শহিদ মিলে মোবাইলে লুডুতে জুয়া খেলছিল। ওই জুয়ায় একজনের টাকা শেষ হয়ে যাবার  পর তার নিজের স্ত্রীকে বাজি রেখে জুয়া খেলা চালিয়ে যেতে থাকে । পরে বিষয়টি তাদের পরিবারের মধ্যে জানাজানি হয়। পরে তাদের স্ত্রীরা এসে সেখানে ঝগড়া শুরু করেন। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তারা যে যার বাড়ি চলে যান। পরে রেখার ছেলে রাকিব ও ভাই রঞ্জু আশিকের বাড়িতে গিয়ে তার শ্বাশুড়ি ফিরোজাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এতে মহিউদ্দিনের স্ত্রী রেখা খাতুনও আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে ভিকটিমদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাদের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নাটোর সদর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে তারা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। অনলাইনে জুয়া খেলার ব্যাপারে তিনি জানান, এ ব্যাপারে তিনি জানতেন না। এমনটি ঘটলে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থ নেয়া হবে।