বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নাটোরে প্রাইভেট পড়ানোর নামে শিশুকে আটকে রেখে ধর্ষণ করল মাদরাসার ছাত্র

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০
  • ৬৪ Time View

বনলতা নিউজ ডেস্ক.

নাটোরে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পারভেজ নামে এক মাদরাসার ছাত্রের বিরুদ্ধে। বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে নাটোর সদরের সিংগারদহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ পারভেজকে আটক করেছে। আটক পারভেজ একই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে।

নাটোর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত জানান, নাটোর শহরের কান্দিভিটায় অবস্থিত হাফিজিয়া মাদরাসা তেইশ পারা হেফজ পড়ুয়া ছাত্র পারভেজ। করোনাভাইরাসের কারণে মাদরাসা বন্ধ থাকায় পারভেজ রমজান মাসে তার গ্রামের বাড়িতে শিশুদের কোরআন শিক্ষা দেয়া শুরু করে।

গতকাল বুধবার কোরআন শিক্ষা দেয়ার পরে সকল শিশুকে ছুটি দিয়ে দেয়। এরপরে সে ওই শিশুটিকে আরও পড়াবে বলে রেখে দেয়। সকল শিশু চলে গেলে পারভেজ ওই শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি চিৎকার শুরু করে। শিশুটির চিৎকার শুনে লোকজন ছুটে আসলে পারভেজ পালিয়ে যায়।

শিশুটির বাবা-মা শিশুটিকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল ভর্তি করে। পুলিশ বেলা ১১টার দিকে  পারভেজকে ওই এলাকার মাঠ থেকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাহবুবুর রহমান জানান, অনেক রক্তক্ষরণ হওয়ায় শিশুটির অবস্থা খুবই গুরুতর।

Tag :

নাটোরে প্রাইভেট পড়ানোর নামে শিশুকে আটকে রেখে ধর্ষণ করল মাদরাসার ছাত্র

Update Time : ১১:৪৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

বনলতা নিউজ ডেস্ক.

নাটোরে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পারভেজ নামে এক মাদরাসার ছাত্রের বিরুদ্ধে। বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে নাটোর সদরের সিংগারদহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ পারভেজকে আটক করেছে। আটক পারভেজ একই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে।

নাটোর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত জানান, নাটোর শহরের কান্দিভিটায় অবস্থিত হাফিজিয়া মাদরাসা তেইশ পারা হেফজ পড়ুয়া ছাত্র পারভেজ। করোনাভাইরাসের কারণে মাদরাসা বন্ধ থাকায় পারভেজ রমজান মাসে তার গ্রামের বাড়িতে শিশুদের কোরআন শিক্ষা দেয়া শুরু করে।

গতকাল বুধবার কোরআন শিক্ষা দেয়ার পরে সকল শিশুকে ছুটি দিয়ে দেয়। এরপরে সে ওই শিশুটিকে আরও পড়াবে বলে রেখে দেয়। সকল শিশু চলে গেলে পারভেজ ওই শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি চিৎকার শুরু করে। শিশুটির চিৎকার শুনে লোকজন ছুটে আসলে পারভেজ পালিয়ে যায়।

শিশুটির বাবা-মা শিশুটিকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল ভর্তি করে। পুলিশ বেলা ১১টার দিকে  পারভেজকে ওই এলাকার মাঠ থেকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাহবুবুর রহমান জানান, অনেক রক্তক্ষরণ হওয়ায় শিশুটির অবস্থা খুবই গুরুতর।