বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

একজন সফল মানুষের গল্প !

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২০
  • ২৯৪ Time View

প্রভাষক মো.মাজেম আলী মলিন সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক বনলতা ও চেয়ারম্যান বনলতা টিভি.
প্রত্যেকটি মানুষেরই স্বপ্ন থাকে। সেই স্বপ্ন পুরনের পথে পা বাড়ালেই আসতে থাকে বাঁধা, বিপত্তি আর প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এগিয়ে যেতে পারেন, কেবল তিনিই হতে পারেন একজন সফল মানুষ। আজ তেমনই একজন মানুষের কথা বলব যিনি আজীবন শতকষ্টকে ভেদ করে সফলতার দারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছেন, সেই সুন্দর মনের একজন মানুষের কথা। যিনি শত বাঁধা ও প্রতিকুলতাকে জয় করে একজন সফল মানূষ, রাজনীতি বিদ আর সফল চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
আপনারা হয়ত সুচনা দেখেই বুঝে নিয়েছেন তিনি কে ? তিনি হলেন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন। নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক, বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি ছিলেন যেমন বিনয়ী ,ভদ্র , নম্র ও নরম মনের একজন মানুষ। সকল সমস্য তিনি ঠান্ডা মাথায় সমাধান করে থাকেন। ঠিক তেমনি আবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলেন আপোষহীন। সেই সব ভালো গুনগুলো, সৃজনশীলতা আর বুদ্ধিমত্তাই তাকে আজ এই সফল মানুষ হতে সাহস জুগিয়েছেন। তিনি আজ অবধি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন নিরন্তন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে প্রাপ্তির চেয়ে অনেক বেশী। সেই প্রাপ্তিগুলো পুরন করতে পারলেই ভালো আর না পারলেই শ্যালক। যাই হোক স্বাদ আর স্বাধ্যের মধ্যেই তিনি চেষ্টা করেন তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করতে। স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য, সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন পুরণকে বাস্তবে রুপদান করতেই কাজ করে যাচ্ছেন অহনিশি।

সকলের সহযোগিতা পাচ্ছেন এবং সহযোগিতার আশাও ব্যক্ত করে চলেছেন। চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতা পাওয়ায় তিনি আজ গুরুদাসপুর উপজেলার সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। তারুণ্যের প্রতিক এই মানুষটি তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বহু উন্নয়ন মুলক কাজের রাজ স্বাক্ষী হয়ে আছেন যেটা কেউ না জানলেও আমি খুব নিকট থেকেই দেখেছি। তার অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেক। প্রতিটি সফল মানুষের পেছনে থাকে কিছ উঠে আসার গল্প, যা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য পায় প্রেরণা।
উপজেলার দায়িত্ব নেওয়ার পুর্ব থেকেই উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন দুই থানা( গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) ব্যাপি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। বলতে পারেন দুই থানা ব্যপি কি ভাবে? এগুলো করতে হলে মাথার উপর বটবৃক্ষ থাকতে হয়। আর সেটা সব সময়ই তার ছিলো বলেই একজন সফল মানুষ হতে পেরেছেন। কারন সফল হতে গেলে কারোনা না কারোর নৈকট্য তো পেতেই হয় যে সকল সফল মানুষের জন্যই প্রয়োজন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তন প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পে বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তার সাথে দলের ভাবমূর্তির উন্নয়ন হয়েছে।
নিরহংকারী এই মানুষটি দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়। বয়সে তরুন হবার কারনে দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান। তিনি ইতোমধ্যেই প্রতিটি মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও মেধাবী সমাজ সেবক এবং উদীয়মান নেতা হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র কিছু দিনের হলো তার ইতোমধ্যেই আমাদের প্রিয় উপজেলাকে উন্নয়নের মাষ্টার প্লানের আওতায় এনে ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। মেধা,মনন, কর্ম প্রয়াস শ্রম ও অধ্যাবশায়ের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে দাঁড় করিয়েছেন এক মজবুত ভিতের উপরে।
এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সর্বোপরি গরীব মেহনতী মানুষের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে এলাকায় ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি গুরুদাসপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকার উন্নয়নে মহা-পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন। গৃহিত পরিকল্পনার আলোকে তিনি একের পর এক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তার সাথে সাক্ষাতকারের সময় এ প্রতিবেদককে বলেন, ছোট বেলা থেকেই তিনি অনেক কষ্টের মধ্যে মানুষ হয়েছেন বলেই গরিব দুখির কষ্ট গুলো বুঝতে তাঁর সময় লাগে না। আর একারনেই তিনি জনপ্রতিনিধি হবার আগ থেকেই গরিব অসহায় খেটে খাওয়া মানুষগুলোর পাশে থেকেছেন সব সময়। এখনো নিজ¦স অর্থায়নে হাজারো মানুষের পাশে রয়েছেন রাতদিন। শুধু তাই নয় করোনার দুর্যোগে রয়েছে তাঁর একঝাক তরুণ স্বেচ্ছা সেবক কমিটি যারা সর্বক্ষণিক উপজেলা ব্যাপি কাজ করে চলছেন। ফোন দেওয়া মাত্রই প্রকৃত অভাবীরা পেয়ে যাচ্ছেন তার উপহার সামগ্রী। তার এদান শুধু করোনাতেই নয় শীতকাল জুড়েই চলেছে শীতে কষ্ট পাওয়া মানুষগুলো। একজন কাছের মানুষ হিসাবে দেখেছি কোথায় কে কখন পানিতে ডুবে,আগুনে পরে আক্রানÍ হচ্ছে শোনার সাথে সাথেই ছুটে যেতে দেখেছি সেই দুর্ঘটনার স্পটে। দায়িত্ব নিয়ে পাশে দাঁড়িছেনে আপনজনের মতই।
তিনি আরো বলেন, যতদিন এই ধরায় বেঁচে আছি চেষ্টা করে যাব অসহায় মানুষগুলোর পাশে থেকে সেবা করার আর অন্যারে বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাবার। যে কাজ করে তার সমালোচনা হয় তাই কোন ধরনের সমালোচনায় আমি ভয় করিনা। ব্যক্তি জীবনে বাবা মাসহ স্ত্রী এবং এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে সুখে আছি। তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে মাস্টার্স এবং তার স্ত্রী খুবজীপুর এম হক কলেজে শিক্ষক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। সর্বশেষ এই সফল মানুষটি সবার কাছে দোয়া ও আর্শিবাদ প্রত্যশা করেছেন।

Tag :
Popular Post

একজন সফল মানুষের গল্প !

Update Time : ১১:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২০

প্রভাষক মো.মাজেম আলী মলিন সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক বনলতা ও চেয়ারম্যান বনলতা টিভি.
প্রত্যেকটি মানুষেরই স্বপ্ন থাকে। সেই স্বপ্ন পুরনের পথে পা বাড়ালেই আসতে থাকে বাঁধা, বিপত্তি আর প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এগিয়ে যেতে পারেন, কেবল তিনিই হতে পারেন একজন সফল মানুষ। আজ তেমনই একজন মানুষের কথা বলব যিনি আজীবন শতকষ্টকে ভেদ করে সফলতার দারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছেন, সেই সুন্দর মনের একজন মানুষের কথা। যিনি শত বাঁধা ও প্রতিকুলতাকে জয় করে একজন সফল মানূষ, রাজনীতি বিদ আর সফল চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
আপনারা হয়ত সুচনা দেখেই বুঝে নিয়েছেন তিনি কে ? তিনি হলেন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন। নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক, বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি ছিলেন যেমন বিনয়ী ,ভদ্র , নম্র ও নরম মনের একজন মানুষ। সকল সমস্য তিনি ঠান্ডা মাথায় সমাধান করে থাকেন। ঠিক তেমনি আবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলেন আপোষহীন। সেই সব ভালো গুনগুলো, সৃজনশীলতা আর বুদ্ধিমত্তাই তাকে আজ এই সফল মানুষ হতে সাহস জুগিয়েছেন। তিনি আজ অবধি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন নিরন্তন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে প্রাপ্তির চেয়ে অনেক বেশী। সেই প্রাপ্তিগুলো পুরন করতে পারলেই ভালো আর না পারলেই শ্যালক। যাই হোক স্বাদ আর স্বাধ্যের মধ্যেই তিনি চেষ্টা করেন তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করতে। স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য, সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন পুরণকে বাস্তবে রুপদান করতেই কাজ করে যাচ্ছেন অহনিশি।

সকলের সহযোগিতা পাচ্ছেন এবং সহযোগিতার আশাও ব্যক্ত করে চলেছেন। চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতা পাওয়ায় তিনি আজ গুরুদাসপুর উপজেলার সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। তারুণ্যের প্রতিক এই মানুষটি তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বহু উন্নয়ন মুলক কাজের রাজ স্বাক্ষী হয়ে আছেন যেটা কেউ না জানলেও আমি খুব নিকট থেকেই দেখেছি। তার অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেক। প্রতিটি সফল মানুষের পেছনে থাকে কিছ উঠে আসার গল্প, যা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য পায় প্রেরণা।
উপজেলার দায়িত্ব নেওয়ার পুর্ব থেকেই উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন দুই থানা( গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) ব্যাপি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। বলতে পারেন দুই থানা ব্যপি কি ভাবে? এগুলো করতে হলে মাথার উপর বটবৃক্ষ থাকতে হয়। আর সেটা সব সময়ই তার ছিলো বলেই একজন সফল মানুষ হতে পেরেছেন। কারন সফল হতে গেলে কারোনা না কারোর নৈকট্য তো পেতেই হয় যে সকল সফল মানুষের জন্যই প্রয়োজন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তন প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পে বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তার সাথে দলের ভাবমূর্তির উন্নয়ন হয়েছে।
নিরহংকারী এই মানুষটি দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়। বয়সে তরুন হবার কারনে দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান। তিনি ইতোমধ্যেই প্রতিটি মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও মেধাবী সমাজ সেবক এবং উদীয়মান নেতা হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র কিছু দিনের হলো তার ইতোমধ্যেই আমাদের প্রিয় উপজেলাকে উন্নয়নের মাষ্টার প্লানের আওতায় এনে ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। মেধা,মনন, কর্ম প্রয়াস শ্রম ও অধ্যাবশায়ের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে দাঁড় করিয়েছেন এক মজবুত ভিতের উপরে।
এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সর্বোপরি গরীব মেহনতী মানুষের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে এলাকায় ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি গুরুদাসপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকার উন্নয়নে মহা-পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন। গৃহিত পরিকল্পনার আলোকে তিনি একের পর এক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তার সাথে সাক্ষাতকারের সময় এ প্রতিবেদককে বলেন, ছোট বেলা থেকেই তিনি অনেক কষ্টের মধ্যে মানুষ হয়েছেন বলেই গরিব দুখির কষ্ট গুলো বুঝতে তাঁর সময় লাগে না। আর একারনেই তিনি জনপ্রতিনিধি হবার আগ থেকেই গরিব অসহায় খেটে খাওয়া মানুষগুলোর পাশে থেকেছেন সব সময়। এখনো নিজ¦স অর্থায়নে হাজারো মানুষের পাশে রয়েছেন রাতদিন। শুধু তাই নয় করোনার দুর্যোগে রয়েছে তাঁর একঝাক তরুণ স্বেচ্ছা সেবক কমিটি যারা সর্বক্ষণিক উপজেলা ব্যাপি কাজ করে চলছেন। ফোন দেওয়া মাত্রই প্রকৃত অভাবীরা পেয়ে যাচ্ছেন তার উপহার সামগ্রী। তার এদান শুধু করোনাতেই নয় শীতকাল জুড়েই চলেছে শীতে কষ্ট পাওয়া মানুষগুলো। একজন কাছের মানুষ হিসাবে দেখেছি কোথায় কে কখন পানিতে ডুবে,আগুনে পরে আক্রানÍ হচ্ছে শোনার সাথে সাথেই ছুটে যেতে দেখেছি সেই দুর্ঘটনার স্পটে। দায়িত্ব নিয়ে পাশে দাঁড়িছেনে আপনজনের মতই।
তিনি আরো বলেন, যতদিন এই ধরায় বেঁচে আছি চেষ্টা করে যাব অসহায় মানুষগুলোর পাশে থেকে সেবা করার আর অন্যারে বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাবার। যে কাজ করে তার সমালোচনা হয় তাই কোন ধরনের সমালোচনায় আমি ভয় করিনা। ব্যক্তি জীবনে বাবা মাসহ স্ত্রী এবং এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে সুখে আছি। তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে মাস্টার্স এবং তার স্ত্রী খুবজীপুর এম হক কলেজে শিক্ষক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। সর্বশেষ এই সফল মানুষটি সবার কাছে দোয়া ও আর্শিবাদ প্রত্যশা করেছেন।