বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নলডাঙ্গায় পাখি অবমুক্ত ও শিকারের জাল থানায় হস্তান্তর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২০
  • ১৬৩ Time View

এস এম ফকরুদ্দিন ফুুুটু নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিবেদকঃ

নাটোরের নলডাঙ্গার হালতি বিলের বানিয়া পুকুর এলাকা থেকে পাখি শিকারের প্রায় ৪শ হাত জাল উদ্ধার করেছে,সবুজ বাংলা(সদস্য সংগঠন বিবিসিএফ) এর সদস্যরা।
বিবিসিএফ এর দপ্তর ও সবুজ বাংলার সাধারন সম্পাদক ফজলে রাব্বী বলেন,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকালে হালতি বিলের বানিয়া পুকুর নামক স্থানে গেলে সেখানে পাখি শিকারের অনেক জাল দেখতে পাওয়া যায়। সেখান থেকে জালগুলো আমরা উদ্ধার করি।
জালে বেশ কিছু পাখি আটকে ছিল,সেগুলো সেখানেই অবমুক্ত করা হয়। পরে জালগুলো নলডাঙ্গায় থানায় হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য,বাংলাদেশে প্রায় ১২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৭১৮ প্রজাতির পাখি, ১৫৭ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ৪২ প্রজাতির উভচরসহ সর্বমোট ১০৪২ প্রজাতির বন্যপ্রাণী রয়েছে। কিন্তু জনসাধারণের অজ্ঞতা, অসচেতনতা ও অদূরদর্শীতার কারণে বন্যপ্রাণী ও এদের আবাসস্থল হুমকির মুখে। ইতিমধ্যেই আমাদের দেশ থেকে ১৪ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং অসংখ্য বন্যপ্রাণী আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকার বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ পাস করেছে। এ আইনে পাখি শিকার, হত্যা, আটক ও ক্রয় বিক্রয় দন্ডনীয় অপরাধ যার সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছর কারাদন্ড এবং ২ লক্ষ টাকা জরিমানা। বন্যপ্রাণী আটক, হত্যা ও ক্রয় বিক্রয় দন্ডনীয় অপরাধ যার সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছর কারাদন্ড এবং ১৫ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

Tag :

নলডাঙ্গায় পাখি অবমুক্ত ও শিকারের জাল থানায় হস্তান্তর

Update Time : ০৯:১৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২০

এস এম ফকরুদ্দিন ফুুুটু নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিবেদকঃ

নাটোরের নলডাঙ্গার হালতি বিলের বানিয়া পুকুর এলাকা থেকে পাখি শিকারের প্রায় ৪শ হাত জাল উদ্ধার করেছে,সবুজ বাংলা(সদস্য সংগঠন বিবিসিএফ) এর সদস্যরা।
বিবিসিএফ এর দপ্তর ও সবুজ বাংলার সাধারন সম্পাদক ফজলে রাব্বী বলেন,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকালে হালতি বিলের বানিয়া পুকুর নামক স্থানে গেলে সেখানে পাখি শিকারের অনেক জাল দেখতে পাওয়া যায়। সেখান থেকে জালগুলো আমরা উদ্ধার করি।
জালে বেশ কিছু পাখি আটকে ছিল,সেগুলো সেখানেই অবমুক্ত করা হয়। পরে জালগুলো নলডাঙ্গায় থানায় হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য,বাংলাদেশে প্রায় ১২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৭১৮ প্রজাতির পাখি, ১৫৭ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ৪২ প্রজাতির উভচরসহ সর্বমোট ১০৪২ প্রজাতির বন্যপ্রাণী রয়েছে। কিন্তু জনসাধারণের অজ্ঞতা, অসচেতনতা ও অদূরদর্শীতার কারণে বন্যপ্রাণী ও এদের আবাসস্থল হুমকির মুখে। ইতিমধ্যেই আমাদের দেশ থেকে ১৪ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং অসংখ্য বন্যপ্রাণী আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকার বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ পাস করেছে। এ আইনে পাখি শিকার, হত্যা, আটক ও ক্রয় বিক্রয় দন্ডনীয় অপরাধ যার সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছর কারাদন্ড এবং ২ লক্ষ টাকা জরিমানা। বন্যপ্রাণী আটক, হত্যা ও ক্রয় বিক্রয় দন্ডনীয় অপরাধ যার সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছর কারাদন্ড এবং ১৫ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।