1. md.magem1974@gmail.com : Md Magem : Md Magem
  2. mustakimbd160@gmail.com : Mustakim Jony : Mustakim Jony
মানুষের প্রতিবেশী ভিন্নগ্রহে সভ্যতার সন্ধান! » দৈনিক বনলতা
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন

মানুষের প্রতিবেশী ভিন্নগ্রহে সভ্যতার সন্ধান!

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০

বনলতা নিউজ ডেস্ক.
শতাব্দীর সাতের দশক থেকেই ভিনগ্রহীদের খোঁজ করে আসছে মানবসভ্যতা। এবার বুঝি তার সফলতা মিলছে। এই প্রথম কোনও গবেষণায় জানা গেল, আমাদের মতো আরও অন্তত ৩৬টি সভ্যতা রয়েছে এই মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সিতেই। যাদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ গড়ে তুলতে পারি। তারাও পারে। সেই ভিনগ্রহীরা বেশ বুদ্ধিমান। সেই সব সভ্যতাও বেশ উন্নত।

বিজ্ঞানীরা বলছে দূর ভবিষ্যতে তাদের সাথে আমাদের যোগাযোগ গড়ে তোলা সম্ভব হতে পারে। সেই ভিনগ্রহীরাও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। তবে তাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে গেলে অন্তত ৬ হাজার ১২০ বছর অপেক্ষা করতে হবে আমাদেরকে। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল’-এ সম্প্রতি জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সহযোগী গবেষক ব্রিটেনের নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ক্রিস্টোফার কনসেলিস বলেছেন, “মহাবিশ্বে আমাদের ছাড়াও বুদ্ধিমান প্রাণীর উন্নত সভ্যতা আরও কয়েকটি রয়েছে, যাদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ গড়‌ে তুলতে পারি, এই প্রথম তার একটা আন্দাজ পাওয়া গেল। যা আমাদের সভ্যতার কয়েক হাজার বছরের প্রশ্ন ছিল আর যে প্রশ্নের কোনও সদুত্তর এর আগে মেলেনি। এ জন্যই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা।’’

১৯৬১ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফ্র্যাঙ্ক ড্রেক এই প্রশ্নের জবাব খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি ‘ড্রেক ইক্যুয়েশন’ নামে একটি বিখ্যাত সমীকরণ দিয়েছিলেন। এই সমীকরণের সমাধানের জন্য ৭টি মাত্রা বেছে নিয়েছিলেন ড্রেক। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, কোনো গ্যালাক্সি বা ছায়াপথে বছরে গড়ে কতগুলো নতুন নক্ষত্র জন্মাচ্ছে। কোন সময়সীমার মধ্যে ভিনগ্রহীদের পাঠানো সঙ্কেত আমাদের কাছে এসে পৌঁছতে পারে।

তবে ড্রেক ইক্যুয়েশন যে সমাধান দিয়েছিল, তার ফলাফলের ব্যাপকতাই ছিল একটি সমস্যা। ওই সমীকরণ অনুযায়ী ভিনগ্রহীদের কোনো সভ্যতা যেমন না-ও থাকতে পারে, আবার তেমনই কয়েকশো কোটিও সভ্যতা থাকতে পারে। যা ছিল একটি অনিশ্চয়তা। ফলে, ভিনগ্রহীদের সভ্যতা নিয়ে আমাদের কোনো সমাধান তো হলোই না বরং কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তাই আমরা ওই সমীকরণটির পরিমার্জন, পরিবর্ধন করেছি’’। এমনটাই বলছিলেন কনসেলিস।

মজার ব্যাপার হচ্ছে সেই গবেষণাকে পরিমার্জিত করতে গিয়ে গবেষকরা দেখলেন, এই মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সিতেই পৃথিবীর মতো অন্যান্য গ্রহে অস্তিত্ব রয়েছে বুদ্ধিমান প্রাণীর। তাদের সভ্যতা আমাদের মতোই উন্নত হতে পারে। এমনকী, আমাদের চেয়েও উন্নত হতে পারে।

গবেষকদের মতে, বুদ্ধিমান প্রাণীর জন্ম ও বিকাশের প্রক্রিয়া যদি বিজ্ঞানসম্মত হয়, তা যদি আমাদের জানা বিজ্ঞানের নিয়মেই হয়ে থাকে, অপ্রত্যাশিতভাবে যদি তারা অন্য কোনো নিয়মে উদ্ভব না হয়, তা হলে ভিনগ্রহীদের আরও অনেক সভ্যতা রয়েছে। তাদের চেহারা উদ্ভট কিছু নয় যে, আমরা ভয় পাব। বরং পৃথিবীতে প্রাণের বিবর্তনের নিয়ম মেনে চললে তারাও অনেকটা আমাদেরই মতো দেখতে। এই সব নিয়ম মেনে চললে এই মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সিতেই এমন ৪টি থেকে ২১১টি সভ্যতা রয়েছে। যাদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ গড়ে তুলতে পারি। তারাও পারে। খুব কম হলেও সেই সংখ্যাটা

আমাদের সবচেয়ে কাছে থাকা এমন সভ্যতাটি কী হতে পারে, তারও হিসাব দেওয়া হয়েছে গবেষণায়। বলা হয়েছে, “বুদ্ধিমান ভিনগ্রহীদের এমন উন্নত সভ্যতা আমাদের থেকে কম করে ১৭ হাজার আলোকবর্ষ (এক বছরে শূন্য স্থানে আলো যে পথ অতিক্রম করে) দূরেই রয়েছে।’’ প্রযুক্তি থেকে নেওয়া।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।

Theme Customized BY Freelancer Jony