বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বড়াইগ্রামে ঋণের চাপ সইতে না পেরে খামারীর আত্নহত্যা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০
  • ৯৬ Time View

বড়াইগ্রাম (নাটোর) থেকে
নাটোরের বড়াইগ্রামে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে প্রীতর কস্তা (৪৫) নামে এক গরুর খামারী গলায় ফঁাস নিয়ে আত্নহত্যা করেছেন। সোমবার সকালে নিজ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত প্রীতর কস্তা উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের পারবোর্ণি গ্রামের শিমন কস্তার ছেলে।
জোনাইল ইউপি চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক জানান, প্রীতর কস্তা স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য বাড়িতে গরুর খামার করেছিলেন। সে সময় তিনি বিভিন্ন এনজিও থেকে বেশ কিছু টাকা ঋণ করেন। পরে খামারের ব্যবসায় লোকসান হওয়ায় তিনি আর ঋণ শোধ করতে পারেননি। দিনে দিনে তার ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছুদিন আগে তিনি চাটমোহর থেকে পুনরায় ঋণ করে প্রায় আড়াই লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ছিনতাইকারীরা সে টাকাও নিয়ে নেয়। এদিকে, এনজিও’র কর্মীরাও তাকে ঋণ পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। এতে তিনি মানসিক ভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। সোমবার ভোর রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তিনি বাড়ির গোয়াল ঘরের তীরের সঙ্গে দড়ি বেঁধে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্নহত্যা করেন। সকালে স্বজনরা দেখতে পেয়ে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক সানোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়না তদন্ত ছাড়াই নিহতের লাশ দাফন করা হয়েছে।

Tag :

বড়াইগ্রামে ঋণের চাপ সইতে না পেরে খামারীর আত্নহত্যা

Update Time : ০৩:১২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০

বড়াইগ্রাম (নাটোর) থেকে
নাটোরের বড়াইগ্রামে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে প্রীতর কস্তা (৪৫) নামে এক গরুর খামারী গলায় ফঁাস নিয়ে আত্নহত্যা করেছেন। সোমবার সকালে নিজ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত প্রীতর কস্তা উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের পারবোর্ণি গ্রামের শিমন কস্তার ছেলে।
জোনাইল ইউপি চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক জানান, প্রীতর কস্তা স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য বাড়িতে গরুর খামার করেছিলেন। সে সময় তিনি বিভিন্ন এনজিও থেকে বেশ কিছু টাকা ঋণ করেন। পরে খামারের ব্যবসায় লোকসান হওয়ায় তিনি আর ঋণ শোধ করতে পারেননি। দিনে দিনে তার ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছুদিন আগে তিনি চাটমোহর থেকে পুনরায় ঋণ করে প্রায় আড়াই লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ছিনতাইকারীরা সে টাকাও নিয়ে নেয়। এদিকে, এনজিও’র কর্মীরাও তাকে ঋণ পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। এতে তিনি মানসিক ভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। সোমবার ভোর রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তিনি বাড়ির গোয়াল ঘরের তীরের সঙ্গে দড়ি বেঁধে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্নহত্যা করেন। সকালে স্বজনরা দেখতে পেয়ে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক সানোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়না তদন্ত ছাড়াই নিহতের লাশ দাফন করা হয়েছে।