গুরুদাসপুরে নিখোঁজ শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার আটক-১

banalatabanalata
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৯:০৫ AM, ০৭ মে ২০২১

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি.
শিশু মহিবুল্লাহ’র (৭) গলাকাটা লাশটি বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে গুরুদাসপুর উপজেলার সাবগাড়ী গ্রামের একটি ভুট্টা খেত থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।  শুক্রবার সকালে ময়না তদন্তের লাশটি মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার দুপুর ১ টার দিকে অভিযান চালিয়ে হত্যকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে সাবগাড়ী গ্রামের মন্টুর ছেলে মো. নয়নকে (১২) রক্তমাখা ছুড়ি ও একটি মোবাইল ফোনসহ আটক করেছে পুলিশ। হত্যাকান্ডের শিকার শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ওই শিশুটি পাশ্ববর্তী সিংড়া উপজেলার গুটিয়া মহিষমারী গ্রামের পল্লী চিকিৎসক ইসাহক আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় মাসখানেক আগে শিশু সন্তান নিয়ে স্বামীর বাড়ি মহিষমারী থেকে বাবার বাড়ি সাবগাড়ী বেরাতে আসেন শিশুটির মা। লাশ উদ্ধারের পর পরই শিশুটির নানার পরিবারে আহাজারি শুরু হয়। কাঁন্নায় এলাকার বাতাশ ভাড়ি হয়ে উঠে।
শিশুটির মা জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টার দিকে তার শিশু সন্তান একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। সন্ধা গড়িয়ে গেলেও মুহিবুল্লার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলনা। শিশুটিকে পেতে সন্ধ্যার পর এলাকায় মাইকিংও করা হয়। তাতেও খোঁজ মেলেনি।
শিশুর নানা দেরাজ মোল্লা জানান, নাতি মুহিবুল্লাহকে না পেয়ে তারা পাগলপ্রায় হয়ে আশপাশের ফসলের ক্ষেতে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে বাড়ির আধা-কিলোমিটার দুরের একটি ভুট্টা ক্ষেতে রক্তমাখা বস্তা পরে থাকতে দেখেন তারা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন জানান, আপাত দৃষ্টিতে ওই শিশুর নানার পরিবারের সাথে কারো শত্রুতা নেই। শিশুটিকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা খুবই বেদনাদায়ক।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, হত্যাকান্ডের কারণ খুঁজতে পুলিশ ব্যাপকভাবে তদন্ত শুরু করেছে। এরই মধ্যে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে হত্যাকান্ডের কারণ বলা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :