লকডাউনের ধাক্কায় বিপর্যস্ত গরু খামারীসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

মোঃ মাজেম আলীমোঃ মাজেম আলী
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:৪৪ PM, ০৭ জুলাই ২০২১

বিশেষ প্রতিবেদক, গঙ্গাচড়া (রংপুর) থেকে:
ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে চরম হতাশায় ভুগছেন গরু খামারীরাসহ হাট-বাজারের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যসায়ীরা। লকডাউনের কারণে নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ছাড়া অন্য সব দোকান ও শপিংমল বন্ধ থাকায় তারা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। প্রতি ঈদের বাজারেই এসব ব্যবসায়ীরা কয়েল লাখ টাকার ব্যবসা করে থাকেন। ফলে লাভের টাকা দিয়ে ঈদের কোরবানীসহ যাবতীয় খরচ করতেন স্বাচ্ছন্দে। মহামারী করোনা ভাইরাসের উর্ধ্বগতি রোধে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় এসব ব্যবসায়ীদের অনেকেই এবারে ঈদের কোরবানী ও পারিবারিক কেনা-কাটা নিয়েও রয়েছেন দুশ্চিন্তায়।

লকডাউনের কারনে একের পর এক বন্ধ রয়েছে শপিংমলসহ হাট বাজারের খুচরা ও পাইকারি দোকানগুলো। বিগত ঈদুল ফিতরের ন্যায় আসন্ন ঈদুল আযহার প্রাক্কালে বন্ধ রয়েছে হাট-বাজারের বিভিন্ন পণ্যের খুচরা ও পাইকারী দোকান।

গঙ্গাচড়া বাজারের সানাবিল সুপার মার্কেটের আল-মদিনা ক্লথ ষ্টোরের মালিক আজিজুল ইসলাম দুলাল জানান, তার দোকানে কয়েক লাখ টাকার থান কাপড়, শাড়ী, লুঙ্গী, পাঞ্জাবী, গেঞ্জিসহ বিভিন্ন প্রকার তৈরী পোষাক রয়েছে। ঈদের মাত্র বাকী রয়েছে ২ সপ্তাহ, এর মধ্যে লকডাউনে থাকছে আরো এক সপ্তাহ। তার পর লকডাউনের অবস্থা কি হবে তাও জানেন আল্লাহ। লকডাউনে ব্যবসা বন্ধ থাকলেও ৬ কর্মচারীকে দিতে হচ্ছে নিয়মিত পারিশ্রমিক। এতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। ব্যবসা করতে না পারলে ঈদের কোরবানী দেওয়ায় তার পক্ষে সম্ভব হবে না।

এ ছাড়াও ঈদে পরিবারের জন্য কেনাকাটাও হবে না মনমতো। ঈদের কেনাকাটা ও কোরবানী সবকিছুই ঠিকঠাক রাখতে হলে ব্যবসায়ের মূলধনের ক্ষতি করা ছাড়া কোন বিকল্প পথ খোলা নাই বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যেই সাংসারিক খরচ ও কর্মচারীদের পারিশ্রমিক দিতেই মূলধন ঘাটতি শুরু হয়েছে। শুধু কাপড় ব্যবসায়ী দুলাল নন সবমিলিয়ে উদ্যম হারাচ্ছে ছোট-মাঝারি সব ব্যবসায়ীরা।

আপনার মতামত লিখুন :