মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে যে ৩ কাজ করবেন

মোঃ মাজেম আলীমোঃ মাজেম আলী
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:৩৮ PM, ০৭ এপ্রিল ২০২২

বনলতা ডেস্ক.

শরীরের খেয়াল তো সবাই রাখেন কিন্তু মনের? মনের অসুস্থতা যেহেতু চট করে ধরা যায় না, তাই একে গুরুত্ব দিতেও আমরা নারাজ। এদিকে মানুষের মধ্যে ডিপ্রেশন, উদ্বেগ, মানসিক যন্ত্রণা দিন দিন বেড়েই চলেছে যেন। বিগত দুই-তিন বছর ধরে অনেককিছুই সামলে আসতে হয়েছে আমাদের। বিশ্বজুড়ে মহামারি আতঙ্ক, প্রিয়জন হারানোর বেদনা, শারীরিক অসুস্থতা আমাদের বিপর্যস্ত করে রেখেছে।

মন খারাপের সঙ্গী হয়েই আসে শারীরিক অসুস্থতা। শরীর ভালো না থাকলে মন ভালো থাকে না আর মন ভালো না থাকলে শরীর। মানসিক অসুস্থতা কিংবা চাপকে সামলে উঠতে পারে না অনেকেই। এসব ঝেড়ে ফেলে নতুন জীবনে ফিরে আসা খুব সহজ নয়। কিন্তু কঠিন হলেও কাজটি আপনাকে করতে হবে। নিজেকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে আপনাকেই। নিজেকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে হলে করতে হবে এই তিন কাজ-
প্রতিক্রিয়া জানান
চুপ থাকা কখনো কখনো উপকারী হতে পারে তবে সব সময় নয়। তাই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান। জবাব কিংবা প্রত্যুত্তর দেওয়া খুব ভালো প্রমাণিত হতে পারে। তবে কোন বিষয়ের জবাব দেওয়া জরুরি এবং কোনটির নয়, সেটুকুও জানতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো শিখে নিয়ে আয়ত্বে রাখতে হবে। আপনি যদি সব সময়েই প্রতিক্রিয়াহীন থাকেন তবে তা সুখকর অভিজ্ঞতা হবে না। মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমানোর জন্য প্রতিক্রিয়া জানানো জরুরি।

সহনশীলতা বজায় রাখুন
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য সহনশীলতা বজায় রাখা জরুরি। অল্পতেই রাগন্বিত বা আবেগাক্রান্ত হবেন না। নিজের লক্ষ্য ঠিক রেখে সোজা সেদিকে এগিয়ে যেতে হবে। কোথাও পৌঁছাতে হলে লক্ষ্য নির্ধারণ করতেই হবে। কারণ লক্ষ্যহীন মানুষ দিশেহারা হবেই। যখন আপনার সামনে আশা থাকবে, তখনই সেখানে পৌঁছানোর ইচ্ছাও থাকবে। তাই নিজের জীবনকে লক্ষ্যহীন হতে দেবেন না। চলার পথে অনেকে অনেক কথা বলবেন। সেগুলোতে কান দিয়ে নিজের গতি মন্থর করবেন না। সহনশীলতাই আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। যখন আপনি নিজেকে নিয়ে আশাবাদী থাকবেন তখন আর কোনো উদ্বেগ আপনার মনকে অসুস্থ করে তুলতে পারবে না।

নিজেকে পুনরায় গড়ে তুলুন
ইংরেজিতে একে বলা হয় রিকভারি। এর অর্থ হলো একটি বিপর্যস্ত অবস্থা থেকে নিজেকে পুনরায় গড়ে তোলা। নিজেকে কিছুটা কঠিন করে গড়ে তুলুন যেন যেকোনো আঘাতে ভেঙে না পড়েন। অতীতের অভিজ্ঞতাগুলো বর্তমান ও ভবিষ্যতকে সুন্দর রাখার কাজে লাগাতে হবে। মানসিক চাপ সরিয়ে নিজেকে ফুরফুরে করে তুলুন। জীবন যখন চলছেই, তাকে সুন্দরভাবে চালানো আপনার দায়িত্ব।

আপনার মতামত লিখুন :