বাল্যবিবাহ রোধে সামাজিক সচেতনতার বিকল্প নেই-ইউএনও তমাল হোসেন

মোঃ মাজেম আলীমোঃ মাজেম আলী
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:১১ PM, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

গুরুদাসপুর(নাটোর) প্রতিনিধি. বাল্য বিবাহ নামক এই দুরারোগ্য ব্যাধিটি সমাজের ঘাড়ে ঝাপটে বসেছে। এটা থেকে মুক্তি পেতে অবিভাবকসহ সকলের সামাজিক সচেতনতার বিকল্প নেই। বিশেষ করে সমাজের প্রতিটি স্তরে শিক্ষিতরাই সচেতনতা সৃষ্টি করে অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখাতে পারে। কারন সচেতন সমাজই সৃষ্টি করতে পারে আলোকিত মানুষ ও তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত। তাই বাল্যবিবাহ রোধে সমাজের প্রতিটি স্তরে সামাজিক সচেনতা সৃষ্টিই পারে সর্বনাশা পথ থেকে কিশোরীদের মুক্তি দিতে পারে। সে জন্য প্রথমে সমাজের প্রতিটি অবিভাবককে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তমাল হোসেন গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর গ্রামে বাল্যবিয়ে বিরোধী উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য ইউএনও মোঃ তমাল হোসেন বিগত তিন বছরে ৩শতাধিক বাল্য বিয়ে বন্ধ করেছেন।

৪ সেপ্টম্বর রোবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার খুবজীপুর গ্রামে ওই উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন খুবজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম দোলন, খুবজীপুর এম হক ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু সাইদ, গুরুদাসপুর সরকারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মিঠু, খুবজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আনিসুর রহমান, শ্রীপুর বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজাসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

বক্তারা বাল্যবিয়ের কুফল তুলে ধরে এলাকায় সচেতনতা সুষ্টির লক্ষে (নারী-পুরুষ) অবিভাবকদের সচেতন থাকার জন্য অনুরোধ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :